Showing posts with label Herbal Tips. Show all posts
Showing posts with label Herbal Tips. Show all posts

Friday, February 5, 2021

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে কাঁঠালের বীচি ভর্তা ও পাঁচফোড়ন ভাজা


Doctrine of Signatures (DOS)
অনুযায়ী কাঁঠালের বীচি মানবদেহের হাড়ের সাথে গাঠনিক মিল আছে।

“প্রাকৃতিক হারবাল ক্যালসিয়াম”
নুডুল্স, ভাত, রুটি, সালাদ, পাকোড়া, বড়া ও চিতই পিঠা দিয়ে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম হিসেবে পেটফাঁপা, পেটের গ্যাস দূর করে। ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে।  


উপাদানের নাম : কাঁঠালের বীচি, পেঁয়াজ, পাঁচফোড়ন ভাজা, রসুন, মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল। 


প্রস্তুত প্রণালী : কাঁঠালের বীচির ছাল ফেলে পুড়ে বা টেলে নিতে হবে। এরপর পরিমাণমতো পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ একসাথে পাটায় পিষে সরিষার তেল মিশিয়ে কাঁঠালের বীচি ভর্তা করতে হবে।

লেখক: ডা. আলমগীর মতি

পেটফাঁপা, বদহজম ও হার্টের ব্যথা দূর করে পেঁয়াজ পাতা ভর্তা

 

Doctrine of Signatures (DOS) অনুসারে পেঁয়াজ পুরুষের প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।


ভাত, রুটি, নুডুল্স, পাকোড়া, বড়া, সালাদ, পিঠা, সসের সাথে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : পেটফাঁপা, বদহজম, অজীর্ণ দূর ও রক্ত চলাচল বৃদ্ধি, শ্বাস-কাশ ও হার্টের ব্যথা দূর করে।


উপাদানের নাম : পেঁয়াজ পাতা, মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল। 


প্রস্তুত প্রণালী : পেঁয়াজ পাতা পুড়ে বা টেলে, পরিমাণমতো লবণ, মরিচ ও সরিষার তেল একসাথে ডলাই মলাই করে
ভর্তা তৈরি করতে হয়।

 লেখক: ডা. আলমগীর মতি

 

চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে পালংশাক ভর্তা ও কালোজিরা ভাজা চূর্ণ

  

Doctrine of Signatures (DOS)  থেরাপি অনুযায়ী পালংশাক মানবদেহের প্যানক্রিয়াসের সাথে সাদৃশ্য আছে


ভাত, রুটি, বড়া, পাকোড়া, নুডুল্স, সালাদ ও পিঠার সাথে ভর্তা হিসেবে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে। পালংশাক চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে।


আয়রন ও ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 


উপাদানের নাম : পালংশাক, মরিচ, পেঁয়াজ, লবণ ও সরিষার তেল। 


প্রস্তুত প্রণালী : পালংশাক হালকা পুড়িয়ে বা টেলে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ একসাথে ডলাই মলাই করে সরিষার তেল মিশিয়ে
হাত দিয়ে পালংশাক ভর্তা করতে হবে।

 লেখক: ডা. আলমগীর মতি

কালোজিরা-জিরা ভাজা ও মিষ্টি কুমড়ার ছাল ভর্তার ঔষধী গুনাগুন

 

Doctrine of Signatures (DOS) অনুযায়ী মিষ্টি কুমড়া মানুষের ব্রেনের সাথে সাদৃশ্য আছে।

“প্রাকৃতিক হারবাল রেটিনল”
ভাত, রুটি, নুডুল্স, পাকোড়া, বড়া, সালাদ, সস ও চিতই পিঠার সাথে খাওয়া হয়


উপকারিতা : ভিটামিন এ এর অভাব পূরণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। 


উপাদানের নাম : মিষ্টি কুমড়ার ছাল, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ, সরিষার তেল, কালোজিরা ও জিরা ভাজাচূর্ণ। 


প্রস্তুত প্রণালী : মিষ্টি কুমড়ার ছাল পুড়ে বা আধা ভেজে নিতে হবে। এরপর পরিমাণমতো পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ, ভাজা জিরা এবং কালোজিরা মিশিয়ে একসাথে পাটায় বেটে সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তা তৈরি করতে হবে।

লেখক: ডা. আলমগীর মতি

Wednesday, February 3, 2021

অন্ডকোষ ও ওভারির শক্তি বৃদ্ধি করে পটলের ছাল ভর্তা, কালোজিরা-জিরা ভাজা

 

Doctrine of Signatures (DOS) থেরাপিতে পটল পুরুষের অন্ডকোষের সাথে গাঠনিক মিল আছে।

ভাত, রুটি, নুডুল্স, পাকোড়া, বড়া, সালাদ ও চিতই পিঠার সাথে খাওয়া হয়।

 প্রস্তুত প্রণালী : পটলের ছাল পুড়িয়ে বা টেলে পরিমাণমত পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ মিশিয়ে পাটায় বেটে সরিষার তেল
মিশিয়ে ভর্তা তৈরি করতে হয়। 

উপকারিতা : জ্বরনাশক, রুচিবর্ধক, হজমকারক ও গ্যাস নিবারক। অন্ডকোষ ও ওভারির শক্তি বৃদ্ধি করে।


উপাদানের নাম : পটলের ছাল, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ, জিরা ভাজা, কালোজিরা ও সরিষার তেল। 

 

লেখক: ডা. আলমগীর মতি

কিভাবে লাউশাক ভর্তা করবেন এবং খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

  

Doctrine of Signatures (DOS) অনুসারে লাউশাক মানবদেহের ক্ষুদ্রান্ত্র বৃহদান্ত্রের (নাড়ি) সাথে সাদৃশ্য আছে।

প্রস্তুত প্রণালী : লাউশাক হালকা পুড়িয়ে বা টেলে পরিমাণমতো পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল মিশিয়ে
ডলাই মলাই করে লাউশাক ভর্তা করতে হবে।

ভাত, রুটি, নুডুল্স, পাকোড়া, বড়া, সালাদ ও চিতই পিঠার সাথে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : হজমশক্তি বৃদ্ধি কারক। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গ্যাস নিবারণ করে।


উপাদানের নাম : কচি লাউশাক, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল।


লেখক: ডা. আলমগীর মতি

পেঁপে ভর্তা ও ভাজা জিরা চূর্ণ প্রস্তুত প্রণালি ও উপকারিতা

Doctrine of Signatures (DOS) থেরাপি অনুসারে পেঁপে মানবদেহের পাকস্থলীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ

প্রস্তুত প্রণালী : কাঁচা পেঁপে পুড়িয়ে, টেলে তাতে পরিমাণমত পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে ডলাই-মলাই করে ভর্তা করতে হবে। এরপর ভাজা জিরা চূর্ণ মিশিয়ে নিতে হবে।  

ভাত, রুটি, নুডুল্স, সালাদ ও বিভিন্ন রকমের পিঠা দিয়ে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : হজমশক্তি বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর, জন্ডিস, লিভার রোগ প্রতিরোধ করে। বুক জ্বালাপোড়া ও অরুচি দূর করে।


উপাদানের নাম : কাঁচা পেঁপে, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, সরিষার তেল, ভাজা জিরা চূর্ণ।


লেখক: ডা. আলমগীর মতি

  

Doctrine of Signatures (DOS)  অনুযায়ী ধনেপাতা আলা জিহ্বার সাথে সাদৃশ্য আছে।


প্রস্তুত প্রণালী : ধনেপাতা ভাল করে ধুয়ে তাতে পরিমাণমতো পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, লবণ দিয়ে পাটায় বেঁটে সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তা করতে হবে। 

ভাত, রুটি, নুডুল্স, সালাদ ও বিভিন্ন রকমের পিঠা দিয়ে খাওয়া হয়।


উপকারিতা : শরীরকে শান্ত ও শীতল করে। শরীরের জ্বালাপোড়া দূর করে। মুখের রুচি বৃদ্ধি করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও গ্যাস নিবারণ করে।


উপাদানের নাম : টাটকা, সতেজ ধনেপাতা, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, লবণ ও সরিষার তেল। 

লেখক: ডা. আলমগীর মতি

করলা ভর্তা ও পাঁচফোড়ন ভাজার প্রস্তুত প্রণালি এবং উপকারিতা জেনে নিন

 Doctrine of Signatures (DOS) অনুসারে করলা মানবদেহের প্যানক্রিয়াসের সাথে মিল রয়েছে।

প্রস্তুত প্রণালী : করলা পুড়িয়ে বা টেলে নিতে হবে। পরিমাণমতো পেঁয়াজ, লবণ ও সরিষার তেল এক সাথে ডলাই মলাই করে হাত দিয়ে করলা ভর্তা করতে হবে। পরে পাঁচফোড়ন ভাজা চূর্ণ যোগ করতে পারেন।

ভাত, রুটি, নুডুল্স, পাকোড়া ও সালাদ দিয়ে খাওয়া হয়।
“করলা প্রাকৃতিক হারবাল ইনসুলিন যা ডায়াবেটিস টাইপ-১ ও ২ সকলের জন্য প্রযোজ্য”

উপকারিতা : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। কিডনির জন্য উপকারী। জ্বরনাশক, রুচিবর্ধক, লিভার ও স্পøীনকে সুস্থ রাখে। যেকোন তিতা শাক লিভার ও প্যানক্রিয়াসের টনিক ঔষধ।
 

উপাদানের নাম : করলা, পেঁয়াজ, লবণ ও সরিষার তেল। 


লেখক: ডা. আলমগীর মতি

Friday, January 29, 2021

কি কি উপকার পাবেন রোজ আমলকি খেলে জেনে নিন

 


আমলকির ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।


আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমলকি খাওয়ার উপকারিতা
ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সাথে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে।

আমলকি লিভার ভালো রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভালো হয়। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে।

শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। আমলকির জুস দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী। পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

ব্রঙ্কাইটেসও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী। আমলকি গুঁড়ার সাথে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। আমলকিতে সামান্য লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর খেতে পারেন।

খাবারের সাথে আমলকির আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে। আমলকি মাঝারি আকারে টুকরো করে নিয়ে ফুটনত্ম জলের মধ্যে দিন। আমলকি নরম হলে তা নামিয়ে ঝরিয়ে লবণ, আদা কুঁচি, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রেখে দিতে পারেন। সারা বছরই ভালো থাকবে।

এছাড়াও, প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়)-এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর। আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ।

আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে।  

সূত্র: নয়া দিগন্ত অনলাইন

Monday, September 5, 2016

জিরার পানির অবিশ্বাস্য ৪টি উপকারিতা


                                             https://www.youtube.com/user/riponshagor

মসলা হিসেবে জিরার বহুল ব্যবহার আমাদের সবারই জানা। খাবারের স্বাদ আর গন্ধ বাড়াতে জিরার তুলনা হয় না। তবে এই জিরা শুধু মসলা হিসেবে নয়, সু-স্বাস্থ্য ধরে রাখতে কার্যকরী বেশ কিছু গুণের অধিকারী। জিরা ভেজানো পানি মানুষের শরীরের জন্য সুস্থতার দূত হিসেবে কাজ করে। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সম্পর্কে।

ওজন কমায় :
জিরা পানি দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। দিনে দু’বার এই জিরাপানি খেলে এটি পেটের ক্ষুধা কমিয়ে দেয় যার ফলে খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়। ফল হিসেবে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত ওজন।

রোগ প্রতিরোধ :
আয়রনের চমৎকার একটি উৎস জিরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিরাতে থাকা আয়রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিরা পানি আপনার দেহে আয়রনের চাহিদা মিটিয়ে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে পারে। এছাড়াও জিরা পানিতে ভালো পরিমান ভিটামিন এ ও সি থাকায় অ্যান্টি অক্সিডেণ্টের সুবিধা পাওয়া যায়।

রক্তশূন্যতার চিকিৎসা :
জিরাতে থাকা আয়রন রক্তস্রোতে অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনের পরিমান বৃদ্ধি করে। এছাড়া জিরা পানি আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতার জন্য বেশ উপকারী।

অ্যাসিডিটি কমায় :
জিরা পানি অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধী ক্ষমতা রাখে। জন্য ভালো। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর ধীরে ধীরে জিরাপানি খেয়ে নিলে অ্যাসিডিটির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।



https://www.youtube.com/user/riponshagor
Sutro: http://eideho.com

Sunday, November 22, 2015

জেনে নিন প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

                                                   https://www.youtube.com/user/riponshagor
অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিংবা অনেকেই মনে করতে পারেন যে এটা স্রেফ একটা কুসংস্কার। কিন্তু আসলেই কি তাই? একদম না!
খালি পেটে রসুন খাওয়া মানবদেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার। বরং খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সঙ্গে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। জেনে নিন খালি পেটে রসুন কীভাবে খাবেন ও কেন খাবেন।

কীভাবে খাবেন?
খালি পেটে রসুন অবশ্যই খেতে হবে সকালে, ব্রেকফাস্ট করার আগে। চিবিয়ে খেতে না চাইলে পানি দিয়ে গিলে ফেলুন দু’কোয়া রসুন। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই টুকরো করে নেবেন।

কেন খাবেন?
খালি পেটে রসুন খেলে রসুনের কার্যকারিতা আরও বেড়ে যায়, এটি পরিণত হয় একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকে। গবেষকদের মতে খালি পেটে রসুন খাওয়া হাইপারটেনশন ও স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে, অন্যদিকে হজমের গণ্ডগোল রোধ করে। স্ট্রেস থেকে পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে, তাও প্রতিরোধ করে খালি পেটে রসুন। অন্যদিকে পেটের গণ্ডগোলজনিত অসুখ, যেমন ডায়রিয়া হলে খালি পেটে রসুন দ্রুত তা সারিয়ে দেয়। সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ করে ও লিভারের ফাংশন ভালও রাখতেও সহায়তা করে। যাদের রসুনে অ্যালার্জি আছে তারা অবশ্য এড়িয়ে চলুন।


Surto: Rupcare

Sunday, August 23, 2015

তেজপাতা দিয়ে দাঁত ঝকঝকে সাদা করার কৌশল শিখে নিন...


দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি। দামী টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ডেন্টিস্টের কাছে দামী ট্রিটমেন্ট, সবই কেবল হলদে দাঁতগুলোকে সাদা করার জন্য। না, আজ থেকে আর কিছুই করতে হবে না, সাধারণ তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর করে নিতে পারবেন আপনি আপনার দাঁতগুলো? কীভাবে?

চলুন, জেনে নিন দাঁত সুন্দর করতে তেজপাতা ব্যবহারের প্রণালি।
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে
তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি

প্রণালি
-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

 ব্যবহার বিধি
এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। প্রিয়.কম

Tuesday, March 10, 2015

ঘৃত-কুমারীর নানা ধরনের ব্যাবহার জেনে নিন

https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos

ঘৃত-কুমারী, যা আমাদের কাছে এ্যলোভেরা নামেই বেশী পরিচিত। এর গুনের অভাব নেই বললেই চলে। এর গুণাগুণ সম্পর্কে আজ জেনে নেয়া যাক-

১. অলৌকিকভাবে ত্বককে সুরক্ষা দেয়:
রোদে পোড়া দাগ দূর করতে ঘৃত-কুমারীর রস লাগালে খুব দ্রুত সেরে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ড্রেসিং এর তুলনায় ঘৃত-কুমারী বেশী দ্রুত কাজ করে পোড়া স্থানে। এতে যে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে তা বিভিন্ন ধরনের দাগ দূর করতে সক্ষম। বিউটি এক্সপার্টরা বিভিন্ন উৎসবে ঘৃত-কুমারীকে বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করে।

২. মেক-আপ পরিষ্কার করতে:
চোখের মেক-আপ তোলার সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বিভিন্ন ধরনের মেক-আপ রিমুভার ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। তাই, মেক-আপ তোলার সময় ঘৃত-কুমারীর ব্যাবহার করতে পারেন। একটি তুলার বল তৈরি করে তাতে ঘৃতকুমারীর আঠালো অংশ লাগিয়ে আসতে আসতে মেক-আপ তুলে নিতে পারেন।

৩. বরফের কিউব তৈরিতে:
একটি আইস কিউব ট্রে নিয়ে তাতে ঘৃতকুমারীর জেল নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এটি বরফে পরিণত হলে শরীরের বিভিন্ন রোদে পোড়া অংশে লাগিয়ে রাখুন। শুধু রোদে পোড়া দাগই নয়, যেকোনো দাগে এটি ব্যাবহার করতে পারেন। সকল প্রকার দাগ নিরাময় হয় ঘৃতকুমারীর জেলে।

৪. ফেস ওয়াশ হিসেবে:
এক টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেলের সাথে, এক চা চামচ বাদাম দুধ ও এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রুক্ষ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করার জন্য এই দ্রবণটি অসাধারণ। বয়সের ছাপ দূর করতে এক টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেলের সাথে, ১ চা চামচ নারিকেল তেল মিশিয়ে হাত দিয়ে মুখে মেসাজ করুন। যখন হাত ও মুখের ত্বক গরম হয়ে যাবে তখন মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে:
অনেকের মুখের দুর্গন্ধের কারনে নিজেকে অপমানিত বোধ করেন। তাই মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যাবহার করুন ঘৃতকুমারী। একটি কাপে চার ভাগের এক ভাগ ঘৃতকুমারীর রসের সাথে আধা কাপ পানি বা আপেল জুস মিশিয়ে পান করুন। এতে খুব শীঘ্রই মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

৬. পা ফাটা রোধ করতে:
পায়ের ফাটল দূর করতে ঘৃতকুমারীর ব্যাবহার করুন। আধা কাপ ওটমিল, আধা কাপ সফেদা, চার টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেল এবং আধা কাপ বডি লোসন এক সাথে মিশিয়ে পায়ে লাগান। তারপর, গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭. রাতের ট্রিটমেন্ট:
রাতে ভালভাবে ঘুমানোর জন্য অনেকেই চোখে মাস্ক ব্যাবহার করেন। তাই, ঘৃতকুমারীর জেলের জুস বানিয়ে তার সাথে তিনটি শসার টুকরা ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করে চোখে লাগিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। এতে আপনার ত্বকেরও উপকার হবে এবং ঘুমও ভাল হবে।–সূত্র: প্রিভেনশন।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।


https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos 
সূত্র: সময়ের কন্ঠসর  

Thursday, February 12, 2015

১০টি উপায়ে ত্বকের ফাটা দাগ নির্মূল করুন


আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে বাড়তি ওজন এবং গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে ফাটা দাগ পড়ে থাকে। যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়।

ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান?

১. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

২. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে।

৩. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন।

৪. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

৫. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

৬. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন।

৭. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।

৮. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯. এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার।

১০. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।



সূত্র:  সময়ের কণ্ঠস্বর

Wednesday, February 11, 2015

মেহেদিপাতার ব্যবহারে ত্বকের ৫টি সমস্যার সমাধান


শিরোনাম দেখে চমকে গেলেন? নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, চুল আর হাত রাঙাবার মেহেদি কীভাবে ত্বকের সমস্যা দূর করবে! মেহেদি সাধারণত রঞ্জক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। তবে এর কিছু ঔষধি গুণও রয়েছে যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে ত্বকের বিভিন্ন রোগ।

১. পা ফাটা
শীতকালে তো পা হরদম ফাটে। তবে কারো কারো বারোমাস পা ফাটার সমস্যা থাকে। এছাড়া চামড়া ওঠার সমস্যাও থাকে অনেকের। মেহেদিপাতা বেটে ফাটা জায়গায় পুরু প্রলেপ দিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

২. খুশকি
মাথার ত্বকে ফাঙ্গাসের আক্রমণে খুশকির মতো চর্মরোগ হয়। খুশকি দূর করতেও মেহেদি কার্যকর। একটি পুরো ডিম ফেটিয়ে নিন। এর সাথে মেহেদিপাতা বাটা ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন এ কাজ করুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে, চুলও পুষ্টি পাবে।

৩. পানি পচা রোগ
সাধারণত নোংরা, জীবাণুযক্ত পানি লেগে এই রোগ হয়। আবার দীর্ঘক্ষণ পানিতে কাজ করলেও এ রোগ হতে পারে। এতে আঙুলের মাঝের অংশে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষতে মেহেদির প্রলেপ লাগিয়ে রাখলে ঘা ভালো হয়ে যায়।

৪. বলিরেখা
বলিরেখা দূর করতেও মেহেদির তুলনা নেই। ভাবছেন ত্বক লাল হয়ে যাবে কি না? মুখের ত্বকে মেহেদি ব্যবহারের নিয়মটি পুরো আলাদা। আপনার প্রতিদিনের ফেসপ্যাকে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা মেহেদিপাতার রস। আর ফেসপ্যাক ১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে বলিরেখা হবে বিলম্বিত।

৫. পুরোনো ক্ষত
পুরোনো ক্ষত, যেগুলো বারবার ফিরে আসে, এসব ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে মেহেদি। মেহেদিপাতা বেটে এরকম ক্ষতে লাগিয়ে রাখুন।




সূত্র: প্রিয় লাইফ

Wednesday, November 26, 2014

ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই চর্বি কমানোর রহস্য


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভীষণ চিন্তিত তাদের মুখে হাসি ফোটানোর মতো একটি তথ্য রয়েছে আর তা হলো
খুব সহজেই আপনি ওজন কমাতে পারেন একটি ফলের মাধ্যমে ফলটির নাম জাম্বুরা জাম্বুরার রস চর্বি 
কমিয়ে দেয় বিপাক ক্রিয়া বেশি সক্রিয় রাখে, যা ওজন কমানোর প্রথম শর্ত
সবচেয়ে ভালো হয় যদি জাম্বুরার জুস খেতে পারেন অবশ্য লবণ, মরিচ মাখিয়ে ভর্তা বানিয়েও খেতে পারেন 
আবার মন চাইলে এমনি এমনিই খান তবে ওজন কমাতে চাইলে বেশি ঝাল আর লবণ মাখিয়ে না খাওযাই
ভালো সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, জাম্বুরার রস শুধু ওজন কমাতেই সহায়তা করে না, রক্তে
চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারকারা ওজন কমানোর জন্য জাম্বুরার রস পান করে থাকেন 
তবে এবার তা প্রমাণ করলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা

গবেষণাটির প্রধান ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির পুষ্টিবিদ্যার অধ্যাপক আন্ড্রিয়াস স্টল বলেন
জাম্বুরার রসে একসঙ্গে অনেক সক্রিয় যৌগ আছে, কিন্তু আমরা সহজে বুঝতেই পারি না যে সেসব
যৌগ কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে তিনি জানান, ওজন কমানোর জন্য জাম্বুরার রসই সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক টনিক

সুত্র: Somoyer Kanthoshor 


Saturday, October 25, 2014

মশা দূর করার কৌশল

কানের কাছে মশার গুনগুন শব্দে আরামের ঘুম হারাম হয়ে যায় এক মিনিটেই। ডেঙ্গু
ইয়োলো ফিভারম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতেও মশার একটি কামড়ই 
যথেষ্ট। এসব রোগের জীবানু বহনকারী মশার প্রাদূর্ভাব বর্ষা ঋতুতে বেশি থাকে। আমাদের দেশে 
প্রতি বছর অনেক মানুষ মারা যায় মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে থাকলেও ভোগান্তির
অন্ত থাকে না তাই আগে থেকেই থাকা চায় সচেতন আজ আপনাদের জন্য দেয়া হল মশা 
দূর করার চমৎকার কিছু কৌশল

নিম তেল
নিম তেল আর নারকেল তেল সম পরিমাণে মিশিয়ে শরীরের খোলা অংশে মেখে নিন এবার সব 
চিন্তা ঝেড়ে ফেলে ঘুমিয়ে পড়ুনকারণ শরীর থেকে যে গন্ধ বের হয় তা মশা দূরে রাখতে দারুন 
কার্যকর। অন্তত আট ঘণ্টা আপনার কাছে মশাকে ভিড়তে দিবে না

ইউক্যালিপটাস-লেবু তেল
ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেলে একধরনের উপাদান পাওয়া যায় যার নাম ‘cineole’ সম পরিমাণে 
ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেল ভাল করে মিশিয়ে নিন এবার গায়ে মেখে নিলে যে যেকোনো 
পোকামাকড় আপনার থেকে দূরে থাকবেসম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াতে এই উপকরণের 
জুড়ি নেই

কর্পূর
এটা মশা তাড়াতে কর্পূর দারুন ভূমিকা রাখতে সক্ষম ঘরের এক কোণায় কর্পূর জ্বালিয়ে ঘরের সব 
দরজা জানালা বন্ধ করে দিন ১৫, ২০ মিনিট পর ঘরে গিয়ে একটাও মশা খুঁজে পাবেন না

রসুন
মশা তাড়ানোর খুব ভাল উপকরণ রসুন কয়েকটা রসুনের কোয়া একটু থেঁতো করে পানিতে 
ফুটিয়ে নিন এরপর এই পানি ঘরে স্প্রে করলে মশা ঘরের ধারে কাছে আসতে পারবে না

টি-ট্রি অয়েল
এই তেলের গন্ধ আর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি মশা তাড়িয়ে দেয় টি-ট্রি অয়েল শরীরের
খোলা অংশে লাগাতে পারেন বা কয়েক ফোঁটা তেল ভেপোরাইজারে দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন

তুলসী গাছ
তুলসী গাছ মশার ডিম এবং মশা মেরে ফেলে জানালার কাছে তুলসী গাছ লাগান বাড়ির কাছে 
তুলসী গাছ থাকলে মশা ঘরের ভিতর ঢুকবে না আর মশাও জন্মাতে দেবে না

পুদিনা গাছ
পুদিনা গাছও মশা দূরে রাখে পুদিনা গাছকে অনেক ভাবে ব্যবহার করা যায় মশা তাড়ানোর জন্য 
পুদিনার তেল ভেপোরাইজারে ব্যবহার করতে পারেন বাড়ির বাইরে পুদিনা গাছ লাগালেও মশা 
মাছি দূরে থাকবে এমনকি মিন্টযুক্ত মাউথ ওয়াশ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করতে পারেন

ল্যাভেন্ডার
ক্রিমের সঙ্গে মিশিয়ে ল্যাভেন্ডার ক্রিম মাখতে পারেন মন মাতানো গন্ধের সঙ্গে মশা তাড়াতে বেশ
কার্যকর


                                              সূত্র: সিটিজিনিউজ

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | free samples without surveys