Showing posts with label Special Tips. Show all posts
Showing posts with label Special Tips. Show all posts

Sunday, August 23, 2015

শরীরের যে অঙ্গগুলি খালি হাতে ছোঁয়া উচিত নয়


নিজের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও অংশের উপরে আমাদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও শরীরের এমন কয়েকটি জায়গা রয়েছে যেগুলিকে খালি হাতে ছোঁয়া একেবারেই অনুচিত। এই অঙ্গগুলিকে খালি হাতে ছুঁলে সেখান থেকে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু হাতের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আমরা হাত ধুয়ে নিলেও অনেকসময়ে ওই অঙ্গ থেকে চলে আসা জীবাণু হাতে থেকে যায় এবং তা শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে। এর থেকে নানা সংক্রমণও হয়ে থাকে।  জেনে নিন, শরীরের কোন অঙ্গগুলিকে খালি হাতে একেবারেই ছোঁয়া উচিত নয়।

কান : অনেকেরই আঙুল বা সরু জিনিস ঢুকিয়ে কান খোঁচানোর অভ্যাস রয়েছে। এমন করলে যেকোনও মুহূর্তে শ্রবণ ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে। একইসঙ্গে কানের মধ্যে কোথাও সংক্রমণ হলে তাতে বিপদ আরও বাড়তে পারে।

চোখ : খালি হাতে চোখে হাত দেওয়া মানেই বহু জীবাণুর সংক্রমণ হওয়া। চোখ জ্বালা করলে বা চুলকানি হলে পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে ধীরে ধীরে চোখে বোলাতে পারেন, খালি হাত নয়।

মুখের ত্বক : মুখের ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়। মুখ ধোওয়ার সময় বাদে যখন-তখন মুখে হাত দিলে চামড়ার মারাত্মক ক্ষতি হয়। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে চামড়ায় সংক্রমণও হতে পারে।

মুখের ভিতর: খাওয়ার সময়ে আমরা মুখের ভিতরে হাত দিই। তবে অন্য কোনও সময়ে নোংরা হাত মুখে দিলেই জীবাণুর সংক্রমণ হবে।
নখ : নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া আঙুলের নখের ভিতরে বাস করে।

দাঁত: দিয়ে নখ কাটা মানে সেই ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মুখে প্রবেশ করানো।

নিতম্ব : বিশেষ কারণ ছাড়া নিতম্ভের মাঝে অবস্থিত মলদ্বারের আশেপাশে কখনওই হাত দেওয়া উচিত নয়। এই জায়গাটিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ অনেক বেশি থাকে। ফলে তা হাতের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

গোপনাঙ্গ : গোপনাঙ্গ বা বগলে, এমনকী মাথার চুলেও হাত দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুয়ে নেবেন কারণ সেখানেও বহু ব্যাকটেরিয়ার বাস।

নাক : অনেকেরই নাক খোঁটার অভ্যাস রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এমন করলে নখের ভিতরের জীবাণু সব হাত দিয়ে নাকে প্রবেশ করে।

Sutro: Onno Diganta

Friday, March 6, 2015

প্রতিমাসে ১০ পাউন্ড ওজন কমাতে চাইলে রোজ খান এই খাবারটি

https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos

হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন। মাসে ১০ কেজি পাউন্ড কমানোর কথাই বলছি, তাও আবার পেট পুরে ভালো খাবার খেয়ে। কী করবেন? কিছুই না। বিনা ব্যায়ামে মাসে ১০ পাউন্ড কিংবা এর বেশী ওজন কমাতে চাইলে কেবল দিনে দুই বেলা খেতে হবে এই খাবারটি। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই এতে যোগ করতে পারবেন হরেক স্বাদের বাহার। শুধু তাই নয়, একে “রান্না” করার কোন প্রয়োজনই নেই। কয়েকটি উপাদান মেশাবেন আর তৈরি হয়ে যাবে আপনার ওজন কমানোর সিক্রেট ফর্মুলা। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

কী করবেন?
তেমন কিছুই নয়, কেবল দিনে দুই বেলা আপনার সাধারণ আহার বাদ দিয়ে খাবেন এই খাবারটি। যেটুকু পরিমাণে দেয়া হবে, ঠিক সেটুকুই। ডিনারে অবশ্যই খাবেন এটি, সাথে ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চ যে কোন একবেলায় খাবেন যখন আপনার সুবিধা হয়। এবং অন্য যে বেলায় সাধারণ খাবার খাবেন, তখন কোন কার্বোহাইড্রেট, মিষ্টি বা ভাজা খাবার খাবেন না। গ্রিল করে চিকেন বা মাছ, সাথে কাঁচা বা অল্প তেলের সবজি, ডাল ইত্যাদি রাখবেন খাবারের তালিকায়। খুব বেশী হলে একটি রুটি চলতে পারে। আর কাঁচা ফলমূল ও সালাদ খেতে পারেন ইচ্ছা মত। যে কদিন ডায়েট করবেন, কোন রকম কোমল পানীয় পান করবেন না এবং চিনির বদলে ডায়াবেটিক সুগার ব্যবহার করবেন।
কীভাবে কমাবে ওজন?

এই খাবারটি ওটস, টক দই এবং দুধের তৈরি একটি সুস্বাদু খাবার যার এক বাটিতে আছে মাত্র ৬০০ ক্যালোরি। কিন্তু খাবারটি দীর্ঘ সময় আপনার পেট ভরা রাখে, উচ্চ মাত্রার ফাইবার থাকে বিধায় শরীরের মেটাবোলিজম উন্নত করে ও ওজন কমাতে সহায়তা করে। ১ পাউন্ড কমানোর জন্য মোটামুটি ৩৫০০ ক্যালোরি ঝরাতে হয়। আপনি যদি দিনে দুইবেলা এই খাবারটি খান, তাহলে আপনি দুই বেলায় মোট গ্রহণ পড়বে মাত্র ৬০০ ক্যালোরি। আর অন্য বেলায় যদি কার্বোহাইড্রেট, মিষ্টি ও ভাজা খাবার বাদ দিয়ে আহার করেন, তবে পেট পুরে খেলেও ৪০০/৫০০ ক্যালোরির বেশী গ্রহণ করা হবে না। সব মিলিয়ে আপনার পেট ভরা রেখেও দৈনিক ক্যালোরি গ্রহনের পরিমাণ কমে আসবে মোট ১০০০ ক্যালোরিতে। একজন মানুষের দৈহিক ক্যালোরির চাহিদা তার ওজন ও কাজের ভিত্তিতে মোটামুটি ১৫০০ থেকে ২৫০০ ক্যালোরি। দিনে ১০০০ ক্যালোরির মাঝে খাওয়া দাওয়ার পর্ব সারতে পারলে ব্যায়াম করা ছাড়াই মোটামুটি ৩ দিনে ৩৫০০ ক্যালোরি বাড়তি খরচ হবে, অর্থাৎ ১ পাউন্ড করে ঝরবে আপনার ওজন। এভাবে মাসে কমপক্ষে ১০ পাউন্ড এবং এর বেশিও ওজন কম করতে পারবেন। ভালো ফল পেতে দৈনিক ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ব্যায়ামের অভ্যাসও করতে পারেন। এতে ওজন কমবে দ্রুত।
জেনে নিন সেই দারুণ রেসিপিটি!

উপকরণ-
রোলড ওটস ১/২ কাপ, ১/৩ কাপ স্কিম মিল্ক বা নন ফ্যাট দুধ, ১/৩ কাপ লো ফ্যাট টক দই, ডায়াবেটিক চিনি স্বাদ অনুযায়ী, আপনার পছন্দের যে কোন একটি বা দুটি ফল ১/২ কাপ (আপনি চাইলে মিষ্টি বাদ দিয়ে ঝাল-মশলা যোগ করে খেতে পারেন। সাথে দিতে পারেন কোন সবজি। তবে অবশ্যই কোন তেল বা সস যোগ করবেন না)

প্রণালি-
ফল বাদে সমস্ত উপকরণ একত্রে মিশিয়ে রাখুন রাতের বেলাতেই। ঢাকনা দিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। সকাল বেলায় উঠে দেখবেন তৈরি হয়ে গিয়েছে দারুণ সুস্বাদু খাবার। এটাকেই সারাদিন খেতে পারবেন আপনি। খেতে পারেন ঠাণ্ডা, চাইলে গরমও করে নিতে পারেন। পাতলা খেতে চাইলে পানি যোগ করবেন। তবে যেটুকু পরিমাণ দেয়া হয়েছে এর বেশী কিছু যোগ করবেন না।



https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos
সূত্র: প্রিয় লাইফ

Wednesday, February 11, 2015

কান্নার উপকারী দিক গুলো জেনে নিন


চোখের পানি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া ও বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। ক্ষতিকর জীবাণুকেও ধ্বংস করে অশ্রু কান্না আসে দুঃখ বা কষ্ট থেকে। এ কান্না দেহের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ— তা জেনে খুব বেশি অবাক হওয়ার কারণ নেই। গবেষণা থেকে কান্নার উপকারী বেশকিছু দিক বের হয়ে এসেছে।

মানসিক চাপ কিংবা হতাশা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ থেকে নানা রোগও হতে পারে। হূদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, অবসাদগ্রস্ততা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় একটু কেঁদে নিতে পারলে তা মানসিক চাপকে দারুণভাবে কমিয়ে ফেলবে।

চরম হতাশায় ভুগলে অথবা দ্বিধাগ্রস্ত হলে দেহে ক্ষতিকর কেমিক্যাল উত্পাদিত হতে থাকে। এ অবস্থায় চোখের পানি কেমিক্যাল কমাতে সাহায্য করবে।

চোখের পানি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া ও বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। কান্নার সময় বের হওয়া চোখের পানি ক্ষতিকর জীবাণুকেও ধ্বংস করে। চোখের পানির সঙ্গে কিন্তু চোখের মধ্যে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিন এবং ময়লাও বের হয়ে আসে। চোখের পানি আপনার শুষ্ক চোখের শুকনো ভাগ কমিয়ে ফেলে। এ প্রাকৃতিক তৈলাক্তকরণ পদ্ধতি ছাড়া আপনি সাধারণত চোখে দেখতে পারবেন না।


মজার একটি বিষয় হচ্ছে, চোখের অনেক সমস্যার সমাধান করে কান্নার সময় উত্পন্ন আপনার চোখের পানি। প্রাকৃতিক চোখের ড্রপের মতো কাজ করে চোখের পানি আপনার চোখে থাকা জীবাণুর ৯০-৯৫ শতাংশ ধ্বংস করে ফেলতে সক্ষম।

যদি কোনো ব্যক্তি সামান্য অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় একটু কেঁদে নিতে পারেন, তাহলে তার মানসিক অবস্থার একটা ইতিবাচক পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই হবে। কান্নার পর ব্রেইন এবং হূদযন্ত্র বেশ স্মুথ হবে। ফলে আপনি বেশ ভালো এবং স্বস্তিবোধ করবেন।



সূত্র:  সময়ের কন্ঠসর 

Monday, February 9, 2015

লো প্রেসারের ঘরোয়া সমাধান জেনে নিন



উচ্চরক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপ অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেসার শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।

প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দেয়।
একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে তাহলে তা লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়।

প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিন্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না, ফলে ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

লবণ পানি


লবণে রয়েছে সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ চিনি ও এক-দুই চা চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চিনি বর্জন করতে হবে।

কফি

স্ট্রং কফি, হট চকলেট, কোলাসহ যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ায়। হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা অনেকদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে ভারি নাশতার পর এক কাপ স্ট্রং কফি খেতে পারেন। তবে সবসময় লো প্রেসার হলে কোলা না খাওয়াই ভালো। কারণ এর অন্যান্য ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে।

কিছমিছ

হাইপোটেনশনের ওষুধ হিসেবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিছমিস। এক-দুই কাপ কিছমিছ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালিপেটে সেগুলো খান। সঙ্গে কিছমিছ ভেজানো পানিও খেয়ে নিন। এছাড়াও পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চীনাবাদাম খেতে পারেন।

পুদিনা

ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে তাতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

যষ্টিমধু

যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই নানা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়াও দুধে মধু দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।


বিটের রস

বিটের রস হাই প্রসার ও লো প্রেসার উভয়ের জন্যই সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। হাইপোটেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।


সুত্র: সময়ের কন্ঠসর   

ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চাইলে যা করনীয় আপনার


গর্ভের সন্তানটি ছেলে হবে না মেয়ে হবে, তা কি আসলে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে ফুটফুটে একটি মেয়ে অথবা দুরন্ত একটি ছেলে। একেবারে নিশ্চিত হবার কোনো উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।


মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই পদ্ধতি। তা কি করে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। একটি হলো ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে, আরেকটি হলো স্পার্ম বা শুক্রাণু কিভাবে একে প্রভাবিত করে।

প্রথমে দেখা যাক ওভিউলেশনের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে। নারীর শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ওভিউলেশন হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে।


এই সময়ের মাঝে গর্ভধারণ করা যাবে তা জানা গেলো। এবার আসুন সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা কিভাবে ঠিক করা যেতে পারে। জানতে হবে শুক্রাণুর প্রভাব। x ক্রোমোজোমধারি শুক্রাণু দ্বারা ডিম্ব নিষিক্ত হবার কারণে সন্তান মেয়ে হবে, আর Y ক্রোমোজোমের কারণে সে হবে ছেলে। Y শুক্রাণু তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট, কিন্তু তা আবার বেশ দ্রুতগামী। তারা খুব বেশিক্ষণ জীবিত থাকে না। X শুক্রাণু বেশ বড় এবং ধীরগতির, কিন্তু তারা আবার একটু বেশ সময় বাঁচে।

এই দুইটি বিষয় জেনে রাখার পর আসুন দেখি করনীয় কি। ছেলে সন্তান চাইলে Y শুক্রাণু যাতে খুব দ্রুত ডিম্বের কাছাকাছি যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য নারীর যে দিন ডিম্বপাত হচ্ছে সে দিনেই মিলিত হওয়াটা জরুরি। নয়তো শুক্রানুটি আর কার্যকরী থাকবে না।

আবার আপনি যদি মেয়ে সন্তান চান তবে ডিম্বপাতের দুই থেকে তিন দিন আগে মিলিত হতে হবে। ডিম্বপাত হবার আগেই সব Y শুক্রাণু মারা যাবে, ফলে সন্তান ছেলে হবার সম্ভাবনা কম থাকবে। বেঁচে থাকবে X শুক্রাণুগুলো। ফলে মেয়ে সন্তান হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।



সূত্র: সময়ের কন্ঠসর  

Monday, February 2, 2015

হাতের তালু অতিরিক্ত ঘামে? জেনে নিন এর কিছু প্রতিকার


কারও সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে, টাইপ করার সময় বা বিভিন্ন কাজে অনেকেরই হাত ঘামার সমস্যা আছে। বার বার হাতের তালু ঘেমে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে কাজ করতেও সমস্যা হয়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঘরোয়া পদ্ধতিতে হাতের তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে জানানো হয়। আসুন জেনে নিই।

বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার
হাতের তালুতে ঘাম হওয়া কমাতে বেকিং সোডা ও বেবি পাউডার বেশ কার্যকর। এক্ষেত্রে কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে ১০ মিনিট হাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। বেকিং সোডার ক্ষারীয় উপাদান তালুর ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে হাত শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি বেবি পাউডার দুর্গন্ধ দূর করতে কাজ করে।

টমেটোর রস
টমেটোর রস ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে আর ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একবার টমেটোর রস পান করুন। এক সপ্তাহ পর খেয়াল করবেন তালুতে ঘাম হওয়া কমে গেছে। সাধারণত খনিজ বা ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে ঘাম বেশি হয়। আর টমেটোতে আছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনিসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান। তাই নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে হাতের তালু থাকবে সতেজ ও শুষ্ক।

জিঙ্ক
জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ঘাম এবং দুর্গন্ধ রোধ করতে জিঙ্ক বেশ কার্যকার। এক্ষেত্রে সহায়ক খাবার হিসেবে ডাক্তারের পরামর্শে দিনে ৩০ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ট্যাবলেট খেতে পারেন। অথবা প্রতিদিন সকালে জিঙ্ক অক্সাইড পাউডার হাতের তালু ঘষলেও উপকার পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি কপার সমৃদ্ধ খাবার খেতে ভুললে চলবে না কারণ জিঙ্ক শরীরে কপারের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

রোজমেরি
রোজমেরি একটি ভেষজ উপাদান। যা স্নায়ুতন্ত্রের উপর কার্যকর‌ভাবে প্রভাব ফেলে। আর স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে থাকলে ঘামের পরিমাণও কম হয়। তাছাড়া রোজমেরি হালকা সেডাটিভ হিসেবেও পরিচিত। সাধারণত উত্তেজিত হলেই ঘাম বেশি হয়। তাই ঘামের সমস্যা কমাতে শান্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
সাধারনত অ্যারোমাথেরাপির তেল, মোমবাতি, শ্যাম্পু ইত্যাদি পণ্যে রোজমেরি ব্যবহার করা হয়। রোজমেরি ইসেনশল অয়েল সঙ্গে রাখতে পারেন, হাত ঘামা শুরু হলেই এই তেলের গন্ধ নিন, কাজে দেবে। (বড় সুপারশপগুলোতে এটি পেতে পারেন)


সূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম

Sunday, January 25, 2015

যা করবেন কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে


কোষ্ঠকাঠিন্য খুব পরিচিত একটি সমস্যা এবং এই সমস্যাটি সব বয়সের মানুষদেরই হয়ে থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার কারণে দেহে দেখা দিয়ে থাকে নানা ধরণের সমস্যা যেমন- এসিডিটি, ক্ষুধা, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মাথা ব্যথা, বিষণ্নতা, ব্রণ, এবং মুখে আলসার। এই সমস্যা আপনি চাইলে খুব সহজেই ঘরে বসে সমাধান করতে পারেন। জেনে রাখুন তাহলে এই সমস্যা সমাধানের উপায়গুলো।

লেবু
লেবুর রস কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রোধ করতে খুব সহায়তা করে থাকে।
-হালকা কুসুম গরম পানিতে তে লেবু চিপে নিন। চাইলে এতে সামান্য লবণ ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

সকালে একদমই খালি পেটে লেবু পানি খেয়ে নিন। আবার সন্ধ্যার দিকে আরেক গ্লাস খান।
-এই পানীয়টি প্রতিদিন নিয়ম করে খান দেখবেন খুব দ্রুতই কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সেরে যাবে।

ক্যাস্টর অয়েল
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রোধ করার অন্যতম সহজ উপায় হল ক্যাস্টর অয়েল। সকালে খালি পেটে ২ চামচ ক্যাস্টর অয়েল খেয়ে নিন। দেখবেন খুব দ্রুতই আপনার পেটের সমস্যা রোধ হয়ে যাবে। চাইলে কোন ফলের জুসের সাথে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে খেতে পারেন।

মধু
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে প্রিতিদিন মধু খেতে ভুলবেন না। এই সমস্যায় মধু খুব উপকারী।
-প্রতিদিন ২/৩ বার এক চামচ করে মধু খান।
-কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে মিশ্রণটি খেয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেয়ে নিন।

পালং শাক
হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে পালং শাক এর উপকারিতা অনেক বেশি। বিশেষ করে যখন আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দেখা দিবে তখন পালং শাক খেতে ভুলবেন না।

কোষ্ঠ কাঠিন্য সমস্যা রোধ করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পালং শাক রাখুন। আপনি চাইলে এটি সালাদের মতো করে খেতে পারেন কিংবা রান্না করেও খেতে পারেন।

যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা খুব বেশি জটিল আকার ধারণ করে থাকে তাহলে, পালং শাক জুস বানিয়ে অর্ধেক পানির সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ২ বেলা নিয়ম করে খেয়ে নিন। আপনার এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Friday, January 16, 2015

দ্রুত মন ভালো করার সহজ ৯টি উপায় জেনে নিন

অনেক বেশি মন খারাপ থাকলে তা স্বাভাবিক কাজকর্মের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকে। কাজে ঠিকমতো মন বসে না, এবং দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। আবার এই আবেগটি যখন কাজ করতে থাকে তখন যে সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয় তাও পরবর্তী জীবনের জন্য খারাপ হয়। কিন্তু মন খারাপ যে কোনো কারণেই হতে পারে। এর উপর আমাদের সত্যিকার অর্থেই কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে মন খারাপ ভালো করার উপর আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে অনেকাংশে। তাই চলুন দ্রুত মন ভালো করে ফেলার কিছু উপায় জেনে নেয়া যাক ঝটপট।


আপন কোনো মানুষের সাথে কথা বলুন
যে বিষয়টি নিয়ে বেশি মন খারাপ লাগছে সে বিষয়টি নিয়ে যতো কথা বলবেন ততো আপনার মন ভালো হবে। কারণ কারো সাথে দুঃখটা ভাগ করে নিলে তা অর্ধেক হয়ে যায়। তাই মন ভালো করতে চাইলে আপন কারো কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।

বাইরে কথাও ঘুরতে চলে যান
মন ভালো করার আরেকটি ভালো উপায় হচ্ছে এক জায়গায় বসে না থেকে ঘুরে আসা। বাসায় বসে থাকা কিংবা অন্য কোনো স্থানে বসে থাকলে মন ভালো হবে না মোটেই। বেড়িয়ে পড়ুন। ঘোরাঘুরি এবং হাঁটাহাঁটির মধ্যমে ও প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার মাধ্যমেও মন খুব দ্রুত ভালো হয়ে যায়।

নিজেকে উপহার দিন মজার কিছু খাবার
নিজের পছন্দের মজার কোনো খাবার খেয়ে নিন। বিশেষ করে চকলেট ধরণের কিছু খাবার। এতে করে ভালোলাগা আপনাআপনি উৎপন্ন হবে। কারণ পছন্দের কিছু করলে এবং খেলে মস্তিষ্কে ‘সেরেটেনিন’ নামক ভালোলাগার হরমোন উৎপন্ন হয়।

জড়িয়ে ধরে চুমু খান
বেশ কিছু গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে মন খারাপ থাকলে প্রিয় মানুষদেরকে আলিঙ্গন করে চুমু খেলে মন ভালো হয়ে যায়। খুব বেশি মন খারাপ থাকলে আপনার মাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে পারেন। অথবা প্রিয় মানুষটিকে আলিঙ্গন করে চুমু খেলেও মন ভালো হয়ে যাবে মাত্র ১ মিনিটেই।

বড় করে শ্বাস নিন
যখন অনেক বেশি মন খারাপ হবে তখন তা আমাদের মস্তিষ্কে চাপ ফেলবে এবং মানসিক অশান্তি ও চাপ বাড়তে থাকবে। এই জিনিসটি দূর না করতে পারলে মন ভালো হবে না। তাই বড় করে শ্বাস নিন ও ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এতে মস্তিষ্ক রিলাক্স হবে ও মানসিক চাপ কমতে থাকবে। সেই সাথে কমবে মন খারাপের মাত্রাও।

মন খারাপের বিষয়টি মাথা থেকে সরিয়ে রাখুন
নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রেখে হলেও মন খারাপের বিষয়টি ভুলে থাকার চেষ্টা করুন। কারণ বিষয়টি যতোটা সময় আপনার মাথায় থাকবে ততোই তা আপনার কষ্ট বাড়াবে। সৃজনশীল কোনো কাজে মন দিন, নিজের যা পছন্দ হয় করতে থাকুন। এতে করে মন থেকে দূর হয়ে যাবে মন খারাপের বিষয়টি।

চিৎকার করে নিন
সাইকোলজিস্টদের মতে আমরা যখন চিৎকার করি তখন আমাদের মস্তিষ্কে যে হরমোনের সৃষ্টি হয় তা মন খারাপের বিষয়টি দূর করে দেয়। তাই অনেক বেশি মন খারাপ লাগলে চিৎকার করুন একলা বসে, আপন মনেই। অথবা লুকিয়ে নিঃশব্দে কাঁদবেন না। চিৎকার করেই কেঁদে নিন খানিকক্ষণ।

নিজের জন্য কিছু করুন
অনেক সময় আমাদের মন খারাপ হয় যখন আমরা অনেক কিছু আশা করে থাকি এবং তা ভেঙে যায়। এটি আমাদের মানসিকতার উপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলে থাকে। তাই সাইকোলজিস্টগন বলেন, এইধরনের মন খারাপ দূর করতে চাইলে নিজের মনের শান্তির জন্য কিছু করা উচিত। এতে করে নিজ থেকেই মন খারাপ দূর হয়ে যাবে।

পানি পান করুন
অনেক সময় ডিহাইড্রেশনের জন্য আমাদের মানসিক চাপ বেড়ে যায় এবং মন খারাপটি আরও বেশি করে আমাদের সামনে চলে আসে। তাই মন খারাপ দূর করতে পানি পান করে নিন এক নিঃশ্বাসে ১ গ্লাস। পানি পানের ফলে অনেকটা হালকা হয়ে যাবে মন।

সুত্র: সময়ের কন্ঠসর 

Tuesday, January 13, 2015

প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু পানি পানের ১৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা


স্বাস্থ্য ডেস্ক : দৈনিক খানিকটা লেবুপানি খাওয়া খুবই ভাল। এটি আমাদের দেহে পুষ্টি, ভিটামিন ও মিনারেলস যোগায়। প্রাকৃতিক ভাবে লেবুপানি আমাদের দেহে শক্তি বৃদ্ধি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর আমাদের দেহে পানিশূন্যতা থাকে এবং এই ঘাটতি পূরণ করতে প্রয়োজন পানি যা দেহ থেকে টক্সিন বের দেয় ও কোষগুলো সজীব করে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত ১ গ্লাস লেবু পানি আমাদের সকলেরই খাওয়া উচিৎ। চলুন তাহলে জেনে নেই কেন লেবুপানি খাওয়া উচিৎ।


লেবুপানি আমাদের দেহে যথেষ্ট পরিমাণে ইলেক্ট্রলাইটস এর যোগান দিয়ে থাকে যা দেহের পানিশূন্যতা দূর করে। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।

লেবুপানি দেহের গিটে গিটে ব্যথা দূর করে।

লেবুতে আছে ক্রিটিক এসিড যা দেহের হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

অন্য যে কোন পানীয় থেকে লেবুপানি আমাদের দেহের লিভারের জন্য খুব উপকারী।

লেবুপানি আমাদের দেহের লিভার থেকে টক্সিন পরিষ্কার করে লিভারকে সুস্থসবল রাখে।

লেবু পানি আমাদের দেহের প্রদাহ দূর করে, গলা ব্যথা, টনসিলের সমস্যা, শ্বাসযন্ত্রের ইনফেকশনও সাড়িয়ে তোলে।

লেবুপানি আমাদের পেট ভাল রাখে।

লেবুপানি আমাদের দেহের মেটাবোলিজম বৃদ্ধি করে ও লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

লেবুপানি দেহের কার্ডিওভাসকুলার সিশ্তেম্ন পরিষ্কার রাখে।

লেবুপানি দেহের ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রনে রাখে। রোজ পান করলে হাই ব্লাড প্রেশার ১০% কমে যায়।

লেবুপানি দেহের ত্বকের জন্য খুবই ভাল। লেবুর ভিটামিন সি উপাদান দেহের ত্বক ও টিস্যুর জন্য খুব জরুরি। তাই ত্বকের যে কোন সমস্যা রোধ করতে প্রতিদিন লেবুপানি পান করুণ।

গর্ভবতী নারীদের জন্য লেবুপানি খুবই উপকারী। কারণ এটি দেহের ভাইরাস ধ্বংস করে ও হাড়ের টিস্যু মজবুত করে। এবং একই সময়ে লেবুর পটাশিয়াম উপাদান বাচ্চার মস্তিস্কের ও নার্ভতন্ত্রের কোষ সবল করতে সাহায্য করে।

দেহের কোন অংশ পুড়ে গেলে তা লেবুপানি দিয়েই চিকিৎসা করা যাবে। আধা গ্লাস পানির সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে নিন। এছাড়া লেবু পানি নতুন কোষগুলোকে সজীব করে তোলে বিধায় যে কোন ক্ষত দ্রুত নিরাময় হয়।

লেবুপানি পিত্তথলী, অগ্নাশয় ও কিডনির পাথর রোধ করে।

লেবুপানি ক্যানসার রোগও প্রতিরোধ করে। লেবুতে আছে এলকালাইন উপাদান এবং বিজ্ঞানীরা বলেছেন ক্যানসারের কোষ এলকালাইন উপাদান এর সাথে থাকতে পারেনা।

সূত্র: সময়ের কন্ঠস্বর

Friday, December 12, 2014

শীতের সকালে ঘুম ও অলসতা কাটানোর ১০ টি উপায়


শীতকাল যে এসেই গেছে তা বোঝার জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা লাগবে না, সকাল বেলার হিমশীতল বাতাসে একদণ্ড দাঁড়ালেই হয়! সকাল বেলাতেই শীতের দাপট বোঝা যায় সবচাইতে বেশি। আর শীত যত বাড়বে, সকাল বেলায় ঘুম থেকে ওঠা ততই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু শীতকাল বলেই তো আর সারা সকাল বিছানায় পড়ে পড়ে ঘুমানো যায় না! ঘুম থেকে উঠতেই হয় আর শীতের সকালে নিতান্তই ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঘুম থেকে উঠতে গিয়ে অনেকের সকালটাই মাটি হয়ে যায়। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি উপায় যাতে শীতকালেও আপনি একেবারে সকাল সকালই ঘুম থেকে উঠতে পারবেন আর ঘুম থেকে ওঠার পরে থাকবেন একেবারে তরতাজা!

পানি পান করুন
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পরই ঘুম কাটানোর জন্য এক গ্লাস পানি পান করুন। শরীরকে সক্রিয় করে তুলতে আপনাকে সাহায্য করবে এই তরল। আর ঘুম কাটাতেও এটা কার্যকরী। আপনার বিছানার পাশের টেবিলেই রাখুন এই পানির গ্লাস যাতে ঘুম ভেঙে যাবার সাথে সাথেই এর দিকে হাত বাড়াতে পারেন।
rupcare_winter laziness3চা/কফি পান করুন

সম্ভব হলে ঘুম থেকে উঠেই চা/কফি বানাতে লেগে পড়ুন। চুলার কাছে গেলে শরীর যেমন গরম হবে, তেমনি এসব ধোঁয়া ওঠা পানীয়ের গন্ধে আপনার ঘুম পালিয়ে যাবে। বাড়িতে যদি আপনার আগে কারও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস থাকে তাহলে তাকে অনুরধ করতে পারেন যেন তিনি আপনার ঘুম ভাঙ্গিয়েই এক কাপ চা হাতে ধরিয়ে দেন। বিছানায় বসে চা পান করাতে ক্ষতির কিছু নেই, কারণ এতে আপনার ঘুম চলেই যাবে।

ঘুমানোর আগে কিছু পান করুন
ঘুমানোর আগে কিছু পান করলে (পানি বা জুস) সেটা শরীরের কাজেও লাগবে আবার আরেকটা কাজও করবে। সকাল সকালই আপনার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে হবে আর ঘুমও ভেঙে যাবে। বিছানা থেকে একবার উঠে পড়ার পর আবার ঘুমাতে যেতে ইচ্ছে করবে না।
নিজের সাথে কোনও সমঝোতায় যাবেন না
আর একটু পরেই উঠবো। আর পাঁচ মিনিট ঘুমিয়ে নেই। নিজের মনকে এই জাতীয় কথা বলে আরও কিছুক্ষণ বিছানায় থাকার অভ্যাসটা ত্যাগ করুন। যত কষ্টই হোক না কেন, অ্যালার্ম ঘড়ি বেজে ওঠার সাথে সাথে বিছানা থেকে উঠে পড়ার অভ্যাস করুন। আরও কিছুক্ষণ ঘুমানোর সুযোগ থাকলেও সেটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে যদি দেখেন আপনার হাতে বেশ কিছুক্ষণ সময় আছে তবে হালকা ব্যায়াম করে নিন। নিমিষেই শরীর এবং মন ফুরফুরে হয়ে উঠবে।

ভালো কিছুর প্রত্যাশা রাখুন
এমন কোনও কাজ ঠিক করে রাখুন যার জন্য আপনি আগ্রহী। সেটা হতে পারে আপনার ভালোলাগার কোনও কাজ। যেমনমজার কোনও ব্রেকফাস্ট খাওয়া, প্রিয় সুগন্ধি সাবান দিয়ে গোসল করা, অথবা ঘুম থেকে উঠে নতুন একটা ম্যাগাজিনের পাতা ওলটানো। নিজেকে পুরস্কৃত করারও অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেমন নিজেকে বলতে পারেন, আগামীকাল সময়মত ঘুম থেকে উঠতে পারলে আপনি ওই উপন্যাসটির আরেকটি অধ্যায় পড়ে রাখবেন, অথবা অন্যদিনের চাইতে একটু বেশি মজার নাস্তা করবেন। যেটাই হোক না কেন, সকালে উঠেই যেন মনটা ভালো হয়ে যায় এমন কাজ করার চেষ্টা করুন।
অ্যালার্ম বাজার আগেই ঘুম ভেঙে গেলে বিছানায় থাকবেন নাrupcare_winter laziness2
ঘুম ভেঙে যাবার পরে আবার অ্যালার্ম বাজার অপেক্ষায় ঘুমিয়ে পড়লে আপনার শরীর আরও ম্যাজম্যাজ করবে এবং পরে আর ঘুমের ভাব কাটবে না। ঘুম ভেঙে গেলে নিজের শরীরের কথা শুনুন এবং উঠে পড়ুন। অ্যালার্ম বন্ধ করে দিন এবং দিন শুরু করুন।

সক্রিয় থাকুন
সকাল বেলাতেই একেবারে কোমর বেঁধে লম্বা সময় ধরে ব্যায়াম করার সময় হয়ত পাবেন না আপনি। কিন্তু যেভাবেই হোক, শরীরকে চালু রাখুন। নয়তো সকাল সকাল শরীরে ঠাণ্ডা জেঁকে বসবে। বিছানায় শুয়েই কিছুক্ষণ স্ট্রেচিং করুন, যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। একটা চটুল সুরের গান ছেড়ে দিয়ে নিজের মতো করে নাচতেও পারেন, মনটাও ভালো হয়ে যাবে। সম্ভব হলে কিছুক্ষণ জগিং করে নিন।
rupcare_winter laziness4ঘুম থেকে উঠেই গোসল করুন
হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরে রক্ত চলাচল হবে ভালো। সতেজ সুবাসের কোনও সাবান ব্যবহার করুন। এতে মাথা থেকে ঘুমের রেশ কেটে যাবে জলদি।

নিজের কাজের কথা মনে করুন
অনেকে রাতের বেলাতেই আগামি দিনের কাজের কথা মাথায় রেখে ঘুমাতে যান। এতে কিন্তু দুশ্চিন্তা হয় আর ঘুমেরও সমস্যা হতে পারে। এর চাইতে সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর একটা একটা করে কাজের কথা মনে করুন আর চিন্তা করুন এগুলো যত দ্রুত করে ফেলা যায় তত ভালো। দরকার হলে একটা ছোট নোটবইতে কাজের তালিকা করে সেটা বিছানার পাশের টেবিলে রেখে দিন।
এই কৌশলগুলোর কোনটাই যদি কাজ না করে তবে কি করবেন? অ্যালার্ম ঘড়িটার শব্দ বেশ বাড়িয়ে দিন এবং তাকে রাখুন বিছানা থেকে বেশ দূরে, ঘরের একেবারে অপর প্রান্তে যাতে সেটা বন্ধ করতে আপনাকে বিছানা থেকে উঠতেই হয়! শীতের সকালে ঘুমিয়ে না থেকে উঠে পড়ুন আর দেখুন, মিষ্টি রোদ ছড়িয়ে সূর্যটা আপনাকেই শুভ সকাল জানাচ্ছে!

তথ্যসূত্র: প্রিয় ডট কম

Wednesday, December 3, 2014

যে ৪ টি ফ্যাট জাতীয় খাবার দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে!



 ফ্যাট জাতীয় খাবার দেহের ওজন কমাবে তা শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। কারণ আমরা জানি ফ্যাট জাতীয় খাবার খেলে আমরা আরও বেশি মোটা হয়ে যাবো। আর এখন যদি ওজন কমানোর জন্য ফ্যাট জাতীয় খাবারই যদি খেতে হয় ব্যাপারটা একটু অন্যরকম তাইনা। কিন্তু ব্যাপারটি যেমনই হোক না কেন গবেষণায় বলা হয়েছে ফ্যাট জাতীয় খাবারই আপানর দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে বেশি। তাই চলুন জেনে নেই খাবার গুলো সম্পর্কে।
ঘাস খাওয়ানো গরুর মাংস
নিউট্রিশন জার্নালের গবেষণায় এসেছে যে, ঘাস খাওয়া গরুর মাংসে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অনেক বেশি যা আমাদের হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে রক্ষা করে থাকে। ঘাস খাওয়ানো গরুর মাংসে স্বাভাবিক ভাবেই ক্যালরি কম থাকে অন্যান্য মাংসের তুলনায়। কারণ একটি সাধারণ গরুর মাংসের টুকরায় ৩৮৬ ক্যালরি থাকে এবং ফ্যাট থাকে ১৬ গ্রাম ও একটি ঘাস খাওয়ানো গরুর মাংসের টুকরায় ২৩৪ ক্যালরি ও ফ্যাট থাকে মাত্র ৫ গ্রাম।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল আমাদের দেহের অনেক উপকার করে থাকে। অলিভ অয়েল আমাদের দেহের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, আমাদের হৃদপিণ্ডের শক্তি বৃদ্ধি করে ও চর্বি রোধ করে থাকে। অবসিটি এর নতুন গবেষণায় এসেছে যে, অলিভ অয়েলে আছে অ্যাডিপন্সটিন নামের এক জাতীয় প্রোটিন পদার্থ ও প্রোটিন যা আমাদের দেহের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া অলিভ অয়েলের এর অ্যাডিপন্সটিন নামক পদার্থটি আমাদের দেহে হরমোনের মাধ্যমে শরীরের চর্বি কমাতে সাহায্য করে থাকে। তাই দেহের ওজন কমাতে যেকোন খাবার, চাইলে ফ্যাট জাতীয় খাবারও অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করুন।

ভোজনযোগ্য নারিকেল তেল
নারিকেলে আছে উচ্চ মাত্রায় ফ্যাট। এই সম্পূর্ণ ফ্যাট আসে লিউরিক এসিড থেকে ও অন্যান্য উপাদান থেকে যা ব্যাকটেরিয়া ধংস করে দেহের কলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নারিকেল তেল আমাদের দেহের ওজন বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। এবং একটি পরীক্ষায়, এক পক্ষের মানুষকে কিছুদিন নারিকেল তেল খেতে দেয়া হয়েছিল ও অন্য পক্ষের মানুষদের সয়াবিন তেল দেয়া হয়, তাপর কিছুদিন পর দেখা গিয়েছে যে যাদের নারিকেল তেল দেয়া হয়েছিল তাদের ওজন হ্রাস পেয়েছে। তাই আপনি নারিকেল তেল রাখতে পারেন আপানর খাদ্য তালিকায়।
ডার্ক চকলেট
চকলেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর, আপনার পেটের মেদ কমাবে ডার্ক চকলেট। একটি গবেষণায় এসেছে যে কোন ব্যক্তি যদি ভারী কোন খাবার খাওয়ার আগে ৩.৫ গ্রাম ডার্ক চকলেট খেয়ে থাকেন এবং ঠিক একই সময়ে যদি কেউ মিল্ক চকলেট খেয়ে থাকে তাহলে যেই ব্যক্তি ভোজনের আগে ডার্ক চকলেট খেয়েছে তার ১৭ ক্যালরি খরচ হয়েছে। কারন গবেষণা বিশ্বাস করে যে ডার্ক চকলেটে আছে পিউর কোকো বাটার ও স্টিয়ারিক এসিড যা হজম গতি বৃদ্ধি করে। অন্য দিকে মিল্ক চকলেটে আছে ফ্যাট বাটার যা খুব দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়। আর ডার্ক চকলেট আমাদের ক্ষুধা নিবারন করে ও দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
সূত্র: প্রিয় লাইফ

Wednesday, October 1, 2014

ঘুমের জন্য উপকারী খাবার


নিদ্রাহীনতা বা ঘুম না হওয়া আধুনিক নগর জীবনে থাকা মানুষের একটা সাধারণ সমস্যা। কর্মজীবীই হোক কিংবা কেবলই সংসারী; ঘুম না হওয়াটা নিয়মে পরিণত হয়ে গেলে সমস্যা মারাত্মক। আসলে আটপৌরে কাজকর্ম থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস - সবকিছুর সঙ্গেই সম্পর্কিত ঘুমের বিষয়টি। ফলে যেকোনো এক দিকে মনোযোগ দিলেই যে এই সমস্যা সমাধান করা যাবে বিষয়টি এমনও নয়। জন্য নিয়ম মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি যেসব খাবার নিয়মিত খেলে ঘুমে সহায়ক হতে পারে তেমন কিছু খাবারের গুণাগুণ তুলে ধরা হলো এখানে

দুধ দই
দুধ দইয়ের মধ্যে ট্রাইপটোফান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। উপাদানটি সেরাটোনিন মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করে যেমন খাবারে রুচি বাড়ায়, তেমনি ঘুমে সহায়তা করে। দেহ-ঘড়িকে সচল রাখতে এটা খুবই জরুরি। তাই রাতে খাবারের সময় বা পরে দুধ দই বা এজাতীয় খাবার খেতে পারেন
কলা
কলায় প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম পটাশিয়াম আছে। এই খনিজ উপাদানগুলো সারা দিনের ক্লান্তির পর রাতে মাংসপেশির টান লাগা, ব্যথা হওয়া ইত্যাদি থেকে শরীরকে মুক্ত রাখতে সহায়ক। কলা খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হবে এবং বিশ্রাম ঘুমে কাজে লাগবে
তিসির বীজ
এই শস্যদানাটি খুবই উপকারী। যেমন এর তেল, তেমনি সরাসরি তিসিবীজও আঁঁশযুক্ত খাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ এই খাবার উদ্বেগ হতাশা কমাতে সহায়ক। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করতে হলে উদ্বেগ হতাশা কমানো জরুরি
গম বার্লি
গম বার্লিজাতীয় শস্যদানায় প্রচুর পরিমাণে সমৃদ্ধ ম্যাগনেশিয়াম আছে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে এই ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণ করলে না ঘুমিয়ে থাকাটাই কঠিন। রাতে গমের আটার রুটি খাওয়া বা বার্লির সুপ খাওয়া দারুণ কাজে লাগতে পারে
ছোলা, বুট, মটর দানা
ছোলা, বুট মটর দানা ভিটামিন বি-সিক্স সমৃদ্ধ। শরীরে ঘুমজাগানিয়া হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে খুবই কাজে আসে এই ভিটামিন বি-সিক্স। এসব শস্যদানার অন্য অনেক উপকারের কথা না ভাবলেও কেবল ভালো ঘুমের প্রয়োজনেই নিয়মিত অল্প পরিমাণে ছোলা, বুট বা মটর দানা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন
যব জই দানা
যব জই দানাও ট্রাইপটোফান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমৃদ্ধ উত্স। রাতের বেলায় যব বা জই দানার তৈরি কোনো হালকা খাবারে শরীরের অবসাদ দূর হতে পারে, ঘুমের জন্য সহায়ক হতে পারে


                                 সূত্র: ইন্টারনেট

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | free samples without surveys