Showing posts with label Special food. Show all posts
Showing posts with label Special food. Show all posts

Monday, September 5, 2016

জিরার পানির অবিশ্বাস্য ৪টি উপকারিতা


                                             https://www.youtube.com/user/riponshagor

মসলা হিসেবে জিরার বহুল ব্যবহার আমাদের সবারই জানা। খাবারের স্বাদ আর গন্ধ বাড়াতে জিরার তুলনা হয় না। তবে এই জিরা শুধু মসলা হিসেবে নয়, সু-স্বাস্থ্য ধরে রাখতে কার্যকরী বেশ কিছু গুণের অধিকারী। জিরা ভেজানো পানি মানুষের শরীরের জন্য সুস্থতার দূত হিসেবে কাজ করে। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সম্পর্কে।

ওজন কমায় :
জিরা পানি দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। দিনে দু’বার এই জিরাপানি খেলে এটি পেটের ক্ষুধা কমিয়ে দেয় যার ফলে খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়। ফল হিসেবে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত ওজন।

রোগ প্রতিরোধ :
আয়রনের চমৎকার একটি উৎস জিরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিরাতে থাকা আয়রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিরা পানি আপনার দেহে আয়রনের চাহিদা মিটিয়ে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে পারে। এছাড়াও জিরা পানিতে ভালো পরিমান ভিটামিন এ ও সি থাকায় অ্যান্টি অক্সিডেণ্টের সুবিধা পাওয়া যায়।

রক্তশূন্যতার চিকিৎসা :
জিরাতে থাকা আয়রন রক্তস্রোতে অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনের পরিমান বৃদ্ধি করে। এছাড়া জিরা পানি আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতার জন্য বেশ উপকারী।

অ্যাসিডিটি কমায় :
জিরা পানি অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধী ক্ষমতা রাখে। জন্য ভালো। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর ধীরে ধীরে জিরাপানি খেয়ে নিলে অ্যাসিডিটির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।



https://www.youtube.com/user/riponshagor
Sutro: http://eideho.com

Sunday, November 22, 2015

জেনে নিন প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

                                                   https://www.youtube.com/user/riponshagor
অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিংবা অনেকেই মনে করতে পারেন যে এটা স্রেফ একটা কুসংস্কার। কিন্তু আসলেই কি তাই? একদম না!
খালি পেটে রসুন খাওয়া মানবদেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার। বরং খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সঙ্গে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। জেনে নিন খালি পেটে রসুন কীভাবে খাবেন ও কেন খাবেন।

কীভাবে খাবেন?
খালি পেটে রসুন অবশ্যই খেতে হবে সকালে, ব্রেকফাস্ট করার আগে। চিবিয়ে খেতে না চাইলে পানি দিয়ে গিলে ফেলুন দু’কোয়া রসুন। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই টুকরো করে নেবেন।

কেন খাবেন?
খালি পেটে রসুন খেলে রসুনের কার্যকারিতা আরও বেড়ে যায়, এটি পরিণত হয় একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকে। গবেষকদের মতে খালি পেটে রসুন খাওয়া হাইপারটেনশন ও স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে, অন্যদিকে হজমের গণ্ডগোল রোধ করে। স্ট্রেস থেকে পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে, তাও প্রতিরোধ করে খালি পেটে রসুন। অন্যদিকে পেটের গণ্ডগোলজনিত অসুখ, যেমন ডায়রিয়া হলে খালি পেটে রসুন দ্রুত তা সারিয়ে দেয়। সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ করে ও লিভারের ফাংশন ভালও রাখতেও সহায়তা করে। যাদের রসুনে অ্যালার্জি আছে তারা অবশ্য এড়িয়ে চলুন।


Surto: Rupcare

Sunday, August 23, 2015

তেজপাতা দিয়ে দাঁত ঝকঝকে সাদা করার কৌশল শিখে নিন...


দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি। দামী টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ডেন্টিস্টের কাছে দামী ট্রিটমেন্ট, সবই কেবল হলদে দাঁতগুলোকে সাদা করার জন্য। না, আজ থেকে আর কিছুই করতে হবে না, সাধারণ তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর করে নিতে পারবেন আপনি আপনার দাঁতগুলো? কীভাবে?

চলুন, জেনে নিন দাঁত সুন্দর করতে তেজপাতা ব্যবহারের প্রণালি।
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে
তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি

প্রণালি
-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

 ব্যবহার বিধি
এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। প্রিয়.কম

Tuesday, March 10, 2015

ঘৃত-কুমারীর নানা ধরনের ব্যাবহার জেনে নিন

https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos

ঘৃত-কুমারী, যা আমাদের কাছে এ্যলোভেরা নামেই বেশী পরিচিত। এর গুনের অভাব নেই বললেই চলে। এর গুণাগুণ সম্পর্কে আজ জেনে নেয়া যাক-

১. অলৌকিকভাবে ত্বককে সুরক্ষা দেয়:
রোদে পোড়া দাগ দূর করতে ঘৃত-কুমারীর রস লাগালে খুব দ্রুত সেরে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ড্রেসিং এর তুলনায় ঘৃত-কুমারী বেশী দ্রুত কাজ করে পোড়া স্থানে। এতে যে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে তা বিভিন্ন ধরনের দাগ দূর করতে সক্ষম। বিউটি এক্সপার্টরা বিভিন্ন উৎসবে ঘৃত-কুমারীকে বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করে।

২. মেক-আপ পরিষ্কার করতে:
চোখের মেক-আপ তোলার সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বিভিন্ন ধরনের মেক-আপ রিমুভার ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। তাই, মেক-আপ তোলার সময় ঘৃত-কুমারীর ব্যাবহার করতে পারেন। একটি তুলার বল তৈরি করে তাতে ঘৃতকুমারীর আঠালো অংশ লাগিয়ে আসতে আসতে মেক-আপ তুলে নিতে পারেন।

৩. বরফের কিউব তৈরিতে:
একটি আইস কিউব ট্রে নিয়ে তাতে ঘৃতকুমারীর জেল নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এটি বরফে পরিণত হলে শরীরের বিভিন্ন রোদে পোড়া অংশে লাগিয়ে রাখুন। শুধু রোদে পোড়া দাগই নয়, যেকোনো দাগে এটি ব্যাবহার করতে পারেন। সকল প্রকার দাগ নিরাময় হয় ঘৃতকুমারীর জেলে।

৪. ফেস ওয়াশ হিসেবে:
এক টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেলের সাথে, এক চা চামচ বাদাম দুধ ও এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রুক্ষ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করার জন্য এই দ্রবণটি অসাধারণ। বয়সের ছাপ দূর করতে এক টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেলের সাথে, ১ চা চামচ নারিকেল তেল মিশিয়ে হাত দিয়ে মুখে মেসাজ করুন। যখন হাত ও মুখের ত্বক গরম হয়ে যাবে তখন মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে:
অনেকের মুখের দুর্গন্ধের কারনে নিজেকে অপমানিত বোধ করেন। তাই মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যাবহার করুন ঘৃতকুমারী। একটি কাপে চার ভাগের এক ভাগ ঘৃতকুমারীর রসের সাথে আধা কাপ পানি বা আপেল জুস মিশিয়ে পান করুন। এতে খুব শীঘ্রই মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

৬. পা ফাটা রোধ করতে:
পায়ের ফাটল দূর করতে ঘৃতকুমারীর ব্যাবহার করুন। আধা কাপ ওটমিল, আধা কাপ সফেদা, চার টেবিল চামচ ঘৃতকুমারীর জেল এবং আধা কাপ বডি লোসন এক সাথে মিশিয়ে পায়ে লাগান। তারপর, গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭. রাতের ট্রিটমেন্ট:
রাতে ভালভাবে ঘুমানোর জন্য অনেকেই চোখে মাস্ক ব্যাবহার করেন। তাই, ঘৃতকুমারীর জেলের জুস বানিয়ে তার সাথে তিনটি শসার টুকরা ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করে চোখে লাগিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। এতে আপনার ত্বকেরও উপকার হবে এবং ঘুমও ভাল হবে।–সূত্র: প্রিভেনশন।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।


https://www.youtube.com/user/riponshagor/videos 
সূত্র: সময়ের কন্ঠসর  

Thursday, February 12, 2015

১০টি উপায়ে ত্বকের ফাটা দাগ নির্মূল করুন


আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে বাড়তি ওজন এবং গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে ফাটা দাগ পড়ে থাকে। যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়।

ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান?

১. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

২. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে।

৩. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন।

৪. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

৫. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

৬. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন।

৭. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।

৮. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯. এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার।

১০. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।



সূত্র:  সময়ের কণ্ঠস্বর

Wednesday, February 11, 2015

মেহেদিপাতার ব্যবহারে ত্বকের ৫টি সমস্যার সমাধান


শিরোনাম দেখে চমকে গেলেন? নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, চুল আর হাত রাঙাবার মেহেদি কীভাবে ত্বকের সমস্যা দূর করবে! মেহেদি সাধারণত রঞ্জক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। তবে এর কিছু ঔষধি গুণও রয়েছে যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে ত্বকের বিভিন্ন রোগ।

১. পা ফাটা
শীতকালে তো পা হরদম ফাটে। তবে কারো কারো বারোমাস পা ফাটার সমস্যা থাকে। এছাড়া চামড়া ওঠার সমস্যাও থাকে অনেকের। মেহেদিপাতা বেটে ফাটা জায়গায় পুরু প্রলেপ দিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

২. খুশকি
মাথার ত্বকে ফাঙ্গাসের আক্রমণে খুশকির মতো চর্মরোগ হয়। খুশকি দূর করতেও মেহেদি কার্যকর। একটি পুরো ডিম ফেটিয়ে নিন। এর সাথে মেহেদিপাতা বাটা ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন এ কাজ করুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে, চুলও পুষ্টি পাবে।

৩. পানি পচা রোগ
সাধারণত নোংরা, জীবাণুযক্ত পানি লেগে এই রোগ হয়। আবার দীর্ঘক্ষণ পানিতে কাজ করলেও এ রোগ হতে পারে। এতে আঙুলের মাঝের অংশে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষতে মেহেদির প্রলেপ লাগিয়ে রাখলে ঘা ভালো হয়ে যায়।

৪. বলিরেখা
বলিরেখা দূর করতেও মেহেদির তুলনা নেই। ভাবছেন ত্বক লাল হয়ে যাবে কি না? মুখের ত্বকে মেহেদি ব্যবহারের নিয়মটি পুরো আলাদা। আপনার প্রতিদিনের ফেসপ্যাকে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা মেহেদিপাতার রস। আর ফেসপ্যাক ১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে বলিরেখা হবে বিলম্বিত।

৫. পুরোনো ক্ষত
পুরোনো ক্ষত, যেগুলো বারবার ফিরে আসে, এসব ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে মেহেদি। মেহেদিপাতা বেটে এরকম ক্ষতে লাগিয়ে রাখুন।




সূত্র: প্রিয় লাইফ

Wednesday, November 26, 2014

ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই চর্বি কমানোর রহস্য


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভীষণ চিন্তিত তাদের মুখে হাসি ফোটানোর মতো একটি তথ্য রয়েছে আর তা হলো
খুব সহজেই আপনি ওজন কমাতে পারেন একটি ফলের মাধ্যমে ফলটির নাম জাম্বুরা জাম্বুরার রস চর্বি 
কমিয়ে দেয় বিপাক ক্রিয়া বেশি সক্রিয় রাখে, যা ওজন কমানোর প্রথম শর্ত
সবচেয়ে ভালো হয় যদি জাম্বুরার জুস খেতে পারেন অবশ্য লবণ, মরিচ মাখিয়ে ভর্তা বানিয়েও খেতে পারেন 
আবার মন চাইলে এমনি এমনিই খান তবে ওজন কমাতে চাইলে বেশি ঝাল আর লবণ মাখিয়ে না খাওযাই
ভালো সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, জাম্বুরার রস শুধু ওজন কমাতেই সহায়তা করে না, রক্তে
চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারকারা ওজন কমানোর জন্য জাম্বুরার রস পান করে থাকেন 
তবে এবার তা প্রমাণ করলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা

গবেষণাটির প্রধান ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির পুষ্টিবিদ্যার অধ্যাপক আন্ড্রিয়াস স্টল বলেন
জাম্বুরার রসে একসঙ্গে অনেক সক্রিয় যৌগ আছে, কিন্তু আমরা সহজে বুঝতেই পারি না যে সেসব
যৌগ কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে তিনি জানান, ওজন কমানোর জন্য জাম্বুরার রসই সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক টনিক

সুত্র: Somoyer Kanthoshor 


Saturday, October 25, 2014

মশা দূর করার কৌশল

কানের কাছে মশার গুনগুন শব্দে আরামের ঘুম হারাম হয়ে যায় এক মিনিটেই। ডেঙ্গু
ইয়োলো ফিভারম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হতেও মশার একটি কামড়ই 
যথেষ্ট। এসব রোগের জীবানু বহনকারী মশার প্রাদূর্ভাব বর্ষা ঋতুতে বেশি থাকে। আমাদের দেশে 
প্রতি বছর অনেক মানুষ মারা যায় মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে থাকলেও ভোগান্তির
অন্ত থাকে না তাই আগে থেকেই থাকা চায় সচেতন আজ আপনাদের জন্য দেয়া হল মশা 
দূর করার চমৎকার কিছু কৌশল

নিম তেল
নিম তেল আর নারকেল তেল সম পরিমাণে মিশিয়ে শরীরের খোলা অংশে মেখে নিন এবার সব 
চিন্তা ঝেড়ে ফেলে ঘুমিয়ে পড়ুনকারণ শরীর থেকে যে গন্ধ বের হয় তা মশা দূরে রাখতে দারুন 
কার্যকর। অন্তত আট ঘণ্টা আপনার কাছে মশাকে ভিড়তে দিবে না

ইউক্যালিপটাস-লেবু তেল
ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেলে একধরনের উপাদান পাওয়া যায় যার নাম ‘cineole’ সম পরিমাণে 
ইউক্যালিপটাস আর লেবু তেল ভাল করে মিশিয়ে নিন এবার গায়ে মেখে নিলে যে যেকোনো 
পোকামাকড় আপনার থেকে দূরে থাকবেসম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াতে এই উপকরণের 
জুড়ি নেই

কর্পূর
এটা মশা তাড়াতে কর্পূর দারুন ভূমিকা রাখতে সক্ষম ঘরের এক কোণায় কর্পূর জ্বালিয়ে ঘরের সব 
দরজা জানালা বন্ধ করে দিন ১৫, ২০ মিনিট পর ঘরে গিয়ে একটাও মশা খুঁজে পাবেন না

রসুন
মশা তাড়ানোর খুব ভাল উপকরণ রসুন কয়েকটা রসুনের কোয়া একটু থেঁতো করে পানিতে 
ফুটিয়ে নিন এরপর এই পানি ঘরে স্প্রে করলে মশা ঘরের ধারে কাছে আসতে পারবে না

টি-ট্রি অয়েল
এই তেলের গন্ধ আর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি মশা তাড়িয়ে দেয় টি-ট্রি অয়েল শরীরের
খোলা অংশে লাগাতে পারেন বা কয়েক ফোঁটা তেল ভেপোরাইজারে দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন

তুলসী গাছ
তুলসী গাছ মশার ডিম এবং মশা মেরে ফেলে জানালার কাছে তুলসী গাছ লাগান বাড়ির কাছে 
তুলসী গাছ থাকলে মশা ঘরের ভিতর ঢুকবে না আর মশাও জন্মাতে দেবে না

পুদিনা গাছ
পুদিনা গাছও মশা দূরে রাখে পুদিনা গাছকে অনেক ভাবে ব্যবহার করা যায় মশা তাড়ানোর জন্য 
পুদিনার তেল ভেপোরাইজারে ব্যবহার করতে পারেন বাড়ির বাইরে পুদিনা গাছ লাগালেও মশা 
মাছি দূরে থাকবে এমনকি মিন্টযুক্ত মাউথ ওয়াশ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করতে পারেন

ল্যাভেন্ডার
ক্রিমের সঙ্গে মিশিয়ে ল্যাভেন্ডার ক্রিম মাখতে পারেন মন মাতানো গন্ধের সঙ্গে মশা তাড়াতে বেশ
কার্যকর


                                              সূত্র: সিটিজিনিউজ

Saturday, October 18, 2014

উচ্চ রক্তচাপের জন্য ঘরোয়া নিরাময়

                                                              লেখক :  ডঃ টি ভট্টাচার্য
পেঁয়াজের রস এবং শুদ্ধ মধু সমমাত্রায় মিশিয়ে প্রতিদিন ২ চামচ করে দিনে ১ বার করে সেবন করলে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসারে খুব ভালো কাজ দেয়।
মন্তব্য ও পরামর্শ: পেঁয়াজের রস রক্তের মধ্যে কোলেস্ট্রোলের মাত্রা কম করে হার্ট অ্যাটাক হতে আমাদের রক্ষা করে। পেঁয়াজ স্নায়ু সংস্থানের (নার্ভাস সিস্টেম) জন্য ভালো একটা টনিক। রক্তকে পরিষ্কার করে, হজমে সাহায্য করে হৃদয়ের কাজ সুচারু রূপে করতে সাহায্য করে। অনিদ্রাও দূর করে। মধু শরীরে শীতলতা আনে এবং রক্তবাহিকা উত্তেজনাকে হ্রাস করে ও তাকে সংকুচিত করে রক্তচাপের সম্ভানাকে কমায়। মধুর ব্যবহারে শরীর সবল ও পুষ্ট হয়। ৫-৭ দিন ব্যবহার করে দেখলেই এর সুফল লক্ষ্য করা যায়। প্রয়োজনে দিন কয়েক চালানো যেতে পারে।

বিবিধ: 
ক) তরমুজের বীচির শাঁস ও সাদা খসখস আলাদা আলাদা বেটে সম মাত্রায় মিশিয়ে রেখে দিন। ১ চামচ বা ৩ গ্রামের ১ মাত্রা সকালেও রাতে জল সহ খালি পেটে খাওয়ার পরামর্শ দেবেন। এতে রক্তচাপ কমে এবং রাতে সুনিদ্রা হয়। মাথার যন্ত্রণাও কমে। তরমুজের বীজের শাঁস নিয়মিত খেলে ক্রমাগত রক্তচাপ কমতে থাকে এবং কোলেস্ট্রোল গলে পাতলা হয়ে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। রক্তবাহী নালী সমূহের কঠোরতাকেও হ্রাস করে এবং তাতে কোষ এলে তাকেও নষ্ট করে। নালীগুলোকে নমনীয় করে তোলে। প্রয়োজনমতো ৩-৪ সপ্তাহ খেতে দিতে হবে।

খ) ৩ গ্রাম (১ চামচ) মেথি (দানা) চূর্ণ সকালেও রাতে মুখে দিয়ে জল খেতে হবে। ১০-১৫ দিন পরপর খেলে উচ্চ রক্তচাপ প্রশমিত হবে। এতে মধুমেহ থাকলেও উপকৃত হবে।
গ) খাওয়ার পর কাঁচা রসুন ১-২ কোয়া খোসা ছুলে কুচি করে জলের সঙ্গে চিবিয়ে খেয়ে অথবা ১-২ টি বীজ বের করা মনাক্কাতে দিয়ে চিবিয়ে খেলেও উচ্চ রক্তচাপ প্রশমিত হয়।
রক্তচাপে রসুন খুবই উপকারী। রসুনের টাটকা কোয়া চিবিয়ে খেলে রক্তচাপ বেড়ে গেলে তাকে স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে এক কোয়ার রসুন আরও বেশি উপকারী।

কিভাবে রসুন খাবেন
সকালে খালি পেটে রসুনের ২-৩ কোয়া নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর প্রত্যেক কোয়াকে ৩-৪ টুকরো করে কেটে নিয়ে সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেতে দিন। অথবা অসুবিধা হলে জল দিয়ে টুকরোগুলো গিলেও নেওয়া যায়। এভাবে রসুনের সেবনে কোলেস্ট্রোল ও রক্তচাপকে কমায় এবং টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা দূর করে।
সহায়ক চিকিৎসা: ক) গম ও ছোলা সম মাত্রায় নিয়ে আটা করতে হবে। ভুষি সমেত এই আটার রুটি রোগীকে খেতে দিন। ১-২ দিনে রোগীর উচ্চ-রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়।
খ) রাতে তামার পাত্রে রাখা জল সকালে নিয়মিত পান করলে উচ্চ রক্তচাপ কমে এবং নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
গ) ৪ টি তুলসীপাতা, ২ টি নিমপাতা ২-৪ চামচ জলের সঙ্গে ঘুঁটে সকালে খালি পেটে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে।
ঘ) গাছপাকা পেঁপে সকালে কালি পেটে ১ মাস খেলে উচ্চ রক্তচাপ ভালো হয়।
ঙ) পেঁয়াজ ও রসুন যদি খাওয়ার সময় পরিমাণমতো খাওয়া যায় তাহলে হৃদয় রোগে উপকার পাওয়া যাবে। রোগ নিবারণ হয় এবং রোগের চিকিৎসাতে সহায়ক হয়। পেঁয়াজ ও রসুন নিয়মিত থাকায় রক্তে কোলেস্ট্রোলের মাত্রা বেশি বাড়তে পারে না কারণ এগুলোতে ফিব্রিনোলাইটিক পদার্থহেতু রক্ত বিকার জনিত রক্ত জমাট কম হয় এবং জমা রক্তকে গলিয়ে স্বাভাবিক করতেও সাহায্য করে।
চ) দইয়ের ঘোল নিয়মিত খেলে রক্তের উচ্চ ও নিম্ন এই উভয়বিধ চাপ নিয়ন্ত্রিত হয়। নিম্ন-রক্তচাপের ক্ষেত্রে ঘোলের মধ্যে ২ গ্রেন হিং মিশিয়ে সেবন করতে দেবেন। দিনের অর্থাৎ দুপুরের খাওয়ার পর ১ গ্লাস ঘোল খাওয়া অত্যন্ত হিতকারক। ঘোলের মতো চৌলাইয়ের (চান্দুলিয়া) শাক বা রসও দু’ধরেনর রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
অপথ্য: ক) দুধ, মাখন ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ভারি খাবার, ভাজা জিনিস, বিড়ি, সিগারেট, মদ, ঘি, লবণ, বেগুন, আলু, আধপাকা কলা, কাঁঠাল, ডাল, ময়দা, মিষ্টি, গুড়, তেল, টক, ঝাল-মশলা, ছাঁটা চালের ভাত, সাদা চিনি, চা, কফি, গরু ও খাসি ইত্যাদির মাংস, মাছ মাদকদ্রব্য ইত্যাদি এই রোগে খাওয়া নিষিদ্ধ।
খ) দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা, দ্রুত সিঁড়ি ভাঙা, বেশি পরিমাণে ও বারবার খাওয়া, অত্যধিক ক্রোধ, ভয়, আনন্দ, শোক, ব্যাকুলতা, উদ্বেগ, তাড়াহুড়ো, উত্তেজনা ও মানসিক চঞ্চলতা ইত্যাদি সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে এবং দূরে থাকতে হবে।
পথ্য: ক) লেবু, পেঁপে, আমলা, মুসম্বি, আপেল, তরমুজ ইত্যাদি ফল।
খ) চৌলাইয়ের শাক, পালঙ, রসুন, লাউ, চালকুমড়ো, পেঁয়াজ, টম্যাটো, গাজরের স্যালাড, গাজরের রস, বেথোর শাক ইত্যাদি শাক-সব্জি।
গ) সকালে খালি পেটে গমের বাসি রুটি দুধে ভিজিয়ে খাওয়া।
ঘ) দইয়ের মধ্যে গ্লুকোজ দিয়ে খাওয়া।
ঙ) প্রতিটি গ্রাস খুব ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া।
চ) খাওয়ার সময় জল না খাওয়া।
ছ) সকালে খালি পায়ে ৪-৫ কিমি হাঁটা। অথবা ১০-১৫ মিনিট ধরে ঘাসের ওপর হাঁটাচলা করা (শীত ও বর্ষার সময় বাদ দিয়ে)
জ) সর্বদা প্রসন্ন থাকা। প্রতিদিন কিছুক্ষণ ব্যায়াম ও মানসিকভাবে প্রসন্ন থাকা রক্তের কোলেস্ট্রোলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপও ভালো থাকে।
ঝ) সপ্তাহে বা পনেরো দিন অন্তর ১ দিন করে উপবাস থাকা দরকার। যেমন শুক্ল পক্ষের একাদশী। এতে ব্লাড প্রেসার ভালো থাকে।
ঞ) পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে উচ্চ রক্তচাপে উপকার পাওয়া যায়। রুদ্রাক্ষ রক্তবাহিকা স্থূল ও কঠোর হলে তাকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে, পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষ যেন শরীরকে স্পর্শ করে থাকে।

সূত্র: জিরো২ইনফিনিটি

অল্প বয়সে চুল পেকে যাচ্ছে? জেনে নিন এই টিপসগুলো

                                               প্রয়োজনীয় প্রতিদিন ডেস্ক:
বয়স হয়ে যাওয়ার আগেই চুল পাকার সমস্যায় পড়ে যান অনেকেই ইদানীং এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে 
নারী-পুরুষ উভয়েরই এই সমস্যায় ভোগার হার বেড়ে চলেছে হেয়ার এক্সপার্টদের মতে মসলাযুক্ত খাবার 
বেশি খাওয়া, ঘুম কম হওয়া, চুলের যত্ন  না করা, কম দামী হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, জেনেটিক বা হরমোনের 
সমস্যার কারণে বয়স হওয়ার আগেই চুল পাকার সমস্যা দেখা দেয় তবে সঠিক পরিচর্যা করলে চুল পাকার
সমস্যা রোধ করা সম্ভব

তেল, মেথি আমলকীর ব্যবহার:
কাপ নারকেল তেল, টেবিল চামচ মেথি গুঁড়ো এবং টেবিল চামচ আমলকী গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে 
একটি প্যানে চুলায় অল্প আঁচে জ্বাল দিন তেল যখন বাদামী রঙ ধারণ করবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা 
করে ছেঁকে নিন। এই তেল চুলের গোড়ায় এবং মাথার ত্বকে ঘষে লাগান ভালো ফল পেতে রাতে ব্যবহার 
করুন সকালে উঠে চুল ধুয়ে ফেলবেন এতে করে চুল পাকার সমস্যা দূর হবে দ্রুত

সপ্তাহে অন্তত / দিন তেল গরম করে মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করবেন তেল চুলের পুষ্টি জোগায় 
এবং চুল পেকে যাওয়া রোধে কাজ করে চাইলে তেলে ভিটামিন ক্যাপস্যুল ভেঙে দিতে পারেন

চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন আপনার চুলে কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিৎ তা বুঝে 
শ্যাম্পু ব্যবহার করুন এবং শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন

সামান্য খুশকির দেখা পেলেই সতর্ক হয়ে যান কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পেকে যায় 
সপ্তাহে এক দিন তাজা লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস বের করা নিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট 
এতে খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন

যারা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাদের চুল অল্প বয়সেই বেশ পেকে যায়
তাই রোদে কাজ করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন মাথা ঢেকে রাখুন এবং মাঝে মাঝে চুলকে বাতাসে শ্বাস 
নিতে দিন

ঘন ঘন চুলের রঙ পরিবর্তন এবং চুলে মাত্রাতিরিক্ত জেল ব্যবহারের কারণেও অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার
প্রবণতা দেখা যায় তাই এই সকল জিনিসের ব্যবহার সীমিত করুন কিংবা খুব ভালো ব্র্যান্ডের হেয়ার 
প্রোডাক্ট  হেয়ার প্রোটেকশন ব্যবহার করুন

মানসিক চাপ বেশি হলে চুল পেকে যায় অল্প বয়সেই তাই মানসিক চাপের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকুন
যতোটা সম্ভব রিলাক্স থাকার চেষ্টা করুন এতে করে মস্তিষ্কে চাপ কম পড়বে চুল পেকে যাওয়া থাকে 
রেহাই পাওয়া যাবে



সূত্র: প্রিয় লাইফ

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | free samples without surveys