Showing posts with label Woman. Show all posts
Showing posts with label Woman. Show all posts

Saturday, January 30, 2021

ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার অসাধারণ উপকারিতা জেনে নিন

 

কখনো খেয়াল করেছেন ঘুম থেকে ওঠার পরই আপনার মুখটা কেমন ফোলা ফোলা থাকে। এর কারণ হলো আমরা যখন ঘুমায় তখন আমাদের মুখের কোষগুলো পুনরুজ্জীবিত হয়, এবং মুখের লোমকূপ ঢেকে যায়। ফলে সেটা খানিকটা ফোলা ফোলা দেখায়। ভাববেন না, এমন ত্বক পাওয়া শুধু সকালেই সম্ভব। সারাদিন এমনই ত্বক পেতে আপনার দরকার ঠান্ডা পানি।

মুখ ধোয়ার জন্য অনেকেই বেছে নেন গরম পানি। হালকা গরম পানিতে মুখ ধোওয়া অনেক বেশি উপকারী বলেই মনে করেন অনেকে। কিন্তু ঠান্ডা পানিতে মুখ ধোওয়ার জাদু আপনি আপনার ত্বকেই টের পাবেন। জেনে নিন ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধোয়ার কিছু উপকারিতা।

ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুলে সেটা মুখের খুলে যাওয়া লোমকূপ বন্ধ করতে সাহায্য করবে। ফলে ত্বকে ময়লা জমবে কম। তাই হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পরও চেষ্টা করুন মুখে ঠান্ডা পানির ছিটা দিতে। খোলা লোমকূপ অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তাই না চোখটাও একটু স্বস্তি পাবে।

বলিরেখা রোধ করতেও ঠাণ্ডা পানির জুড়ি মেলা ভার। ঠাণ্ডা পানি এ্যান্টি রিঙ্কেল ক্রিম হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। ত্বক পরিচ্ছন্ন ও তরুণ দেখাতে ঠাণ্ডা পানির বিকল্প নেই। মুখ পরিষ্কার করতে নিয়মিত ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন। দেখবেন ত্বকের বয়স বাড়ার প্রবনতা অনেকটাই কমে এসেছে, সঙ্গে বলিরেখাও কমছে।

মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দেওয়ার আর একটি সুবিধা হলো এটা ত্বককে ক্ষতিকর সূর্যরশ্নি থেকে রক্ষা করে। ঠাণ্ডা পানি সূর্যের আলোর প্রভাবে খুলে যাওয়া লোমকূপ বন্ধ করে ত্বককে আরো টানটান করে, পাশাপাশি সেই টানটান ত্বক স্থায়ী হতে সাহায্য করে।

https://www.youtube.com/user/riponshagor
Sutro: Shomoyer Kanthashor

Saturday, February 21, 2015

ত্বককে উজ্জ্বল করুন ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম দূর করে


মুখ ও হাতের অবাঞ্ছিত লোমের যন্ত্রণায় পড়ে থাকেন অনেকেই। এই লোমগুলোর কারণে ত্বকে একধরণের কালচে ভাব থাকে। অনেকেই পার্লারে গিয়ে ওয়াক্সিং করে এই লোম তুলে থাকেন। কিন্তু পার্লারের এই লোম তোলার ব্যাপারটি বেশ কষ্টদায়ক। কেমন হয় যদি ঘরে খুব সহজেই এই মুখ ও হাতের লোম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এবং সেই সাথে ত্বকের উজ্জ্বলতা আরও বৃদ্ধি করে নেয়া যায়? খুব সহজেই ঘরের কিছু টুকিটাকিতে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি পেতে পারেন উজ্জ্বল, মসৃণ ত্বক এবং মুক্তি পেতে পারেন অবাঞ্ছিত লোম থেকে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক পদ্ধতিটি।

যা যা লাগবেঃ
– ১ টেবিল চামচ দুধের সর
– ২ টেবিল চামচ বেসন
– ২ চিমচি হলুদগুঁড়ো
– ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল

পদ্ধতিঃ
– একটি বাটিতে সবকটি উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মসৃণ ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে নিন।
– এরপর এই পেস্টটি হাতে ও মুখের ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন।
– ২ মিনিট রাখুন। কিছুটা শুকিয়ে এলে গোল গোল করে ঘুরিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করতে থাকুন মিশ্রণটি।
– ম্যাসাজ করতে করতে ১০-১২ মিনিট পর মিশ্রণটি আপনাআপনি উঠে চলে আসবে।
– একই ভাবে ঘুরিয়ে ত্বক ম্যাসাজের মাধ্যমে হাত ও মুখের ত্বক থেকে মাস্কটি তুলে নিন।
– ত্বক থেকে মাস্কটি তুলে নিয়ে ২ ঘণ্টা পর মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
– ভালো ফলাফলের জন্য ২৪ ঘণ্টা কোনো ধরণের সাবান বা কসমেটিকস ব্যবহার করবেন না।



সূত্র: প্রিয় লাইফ

Monday, February 9, 2015

মাইগ্রেনের যন্ত্রনা তাড়াবে লবণ


সব রকম অসুখই যন্ত্রণাদায়ক। তবে অসম্ভব যন্ত্রণাদায়ক অসুখের নামের তালিকায় মাইগ্রেনের নাম উপরের দিকেই থাকবে। যাদের মাইগ্রেন রয়েছে তারাই জানেন, এর যন্ত্রনা কতটা প্রকট। মাইগ্রেন একবার শুরু হলে তা নষ্ট করে দিতে পারে পুরোটি দিন। শুধু তাই নয়, কারও কারও মাইগ্রেন সাধারণ পেইনকিলারে দূর হতে চায় না। এক্ষেত্রে তাদের উপকারে আসতে পারে লবণ। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন, লবণ। চলুন জেনে আসি কীভাবে উপকারে আসতে পারে এই লবণ-

প্রথমেই জেনে রাখা দরকার, লবণ ব্যবহার করা উচিত নয় কার। মাইগ্রেনের ব্যাথা চলাকালীন সময়ে অনেকের রক্তচাপ বেড়ে যায়। লবণ ব্যবহারে তাদের রক্তচাপ আরও বেড়ে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সেলেরির জুস পান করতে পারেন। কারণ এতে রয়েছে এমন সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায় না আবার মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।

লবণ ব্যবহার করে মাইগ্রেন কমাতে চাইলে অবশ্য সাধারণ মানের টেবিল সল্ট ব্যবহার না করে উচ্চ মানের লবণ ব্যবহার করতে হবে, যেমন হিমালায়ান ক্রিস্টাল সল্ট। এর বিশেষত্ব হলো এতে উপস্থিত ৮৪টি খনিজ উপাদান, ইলেক্ট্রোলাইট এবং মৌল। এই লবণ শুধু যে মাইগ্রেন কমায় তাই নয়, বরং শক্তিশালী করে তোলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে, বাড়ায় শক্তি, রক্তে সেরোটোনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরে অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখে।

লবণ ব্যবহারের এই উপায়টি খুব সহজ। এক গ্লাস লেবুর রস (অথবা আপনার পছন্দের কোনো ফলের জুস) এর মাঝে বেশি করে লবণ দিয়ে তৈরি করুন একটি মিশ্রণ আর তা পান করে ফেলুন। মাইগ্রেনের ব্যথা দূর হয়ে যাবে ম্যাজিকের মতো।

তবে অবশ্যই কী পান করছেন তার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মিশ্রণ পান করা উচিত নয়। এছারা যাদের আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারাও লেবু বা এমন অ্যাসিড ধরণের জুস পান করা থেকে বিরত থাকবেন।



সূত্র: সময়ের কন্ঠসর  

Monday, February 2, 2015

নারীদেহে জরায়ু ক্যানসারের ১০ টি প্রধান লক্ষণ


স্তন ক্যানসারের মতোই জরায়ু ক্যানসারও অনেক কঠিন একটি অসুখ। পৃথিবীতে প্রচুর নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এই রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে ২০১২ সালে প্রায় ৬৫,০০০ হাজার নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ছয়টি ক্যানসার রোগের মধ্যে জরায়ু ক্যানসার সবচেয়ে বেশি আলোচিত কারণ প্রতি বছর পুরো পৃথিবীতে প্রায় ২,৫০,০০০ নারী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা এই অসুখ হওয়ার প্রথম অবস্থায় চিকিৎসা না করানোর ফলে তাদের বেঁচে থাকার হার ৫০% কমে যায়। আর যারা প্রথম থেকেই চিকিৎসা করান তাদের বেঁচে থাকার সম্ভবনা থাকে ৯৫%।
তবে অনেকেই মনে করেন যে এই অসুখটি হয়তো প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে হয়ে থাকে কিন্তু এটি ভুল ধারণা। যেকোন বয়সেই নারীদের জরায়ু ক্যানসার হতে পারে। তবে বিশেষ করে ৫০ বছর বয়স্ক কিংবা এর থেকেও বেশি বয়সের নারীরা জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বেশি। তবে গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শিল্পোন্নত দেশের নারীরা বেশি জরায়ু ক্যানসারে অধিক আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এবং অন্য দিকে আফ্রিকান, আমারিকান ও এশিয়া প্রদেশের নারীদের এই ক্ষেত্রে জরায়ু ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম সাদা চামড়ার নারীদের থেকে।

জরায়ু ক্যানসারকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়ে থাকে কারণ এই অসুখ দেখা দিলে অনেক নারীরাই এর কিছু কিছু লক্ষণ বুঝতে পারেন না। কিংবা ভিন্ন লক্ষণ দেখা দিলেও গুরুত্ব দেন না। তাই সুস্থ থাকতে এই অসুখের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে রাখুন।
জরায়ু ক্যানসারের পূর্ববর্তী কিছু লক্ষণ

01. নিন্মাঙ্গের চারপাশে চাপ লাগা কিংবা ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করা

02. গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পর পেট ভর্তি লাগা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি         পেটের কোন সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

03. অন্য সময়ের থেকে পেটে অনেক পরিবর্তন দেখা দেওয়া।

04. পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা।

05. বমি বমি ভাব কিংবা বার বার বমি হওয়া।

06. ক্ষুধা কমে যাওয়া।

07. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা ওজন অনেক বেশি কমে যাওয়া।

08. যৌনমিলনের সময় ব্যথা পাওয়া।

09. অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করা।

10. নারীদের মেনোপজ হওয়ার পরেও ব্লিডিং হওয়া।


সূত্র: প্রিয় লাইফ

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করুন


চোখের নিচে কালো দাগ আজকাল তরুণ-তরুণী এমনকি অনেক মধ্যবয়স্ক নারী-পুরুষের মুখের সৌন্দর্যের ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে৷ পুরো মুখটি অসম্ভব সুন্দর অথচ চোখের নীচে কালোদাগ- অনেকেই এটা মানতে পারেন না৷ তখন ছুটে যান কোন ত্বক বিশেষজ্ঞ বা বিউটিশিয়ানের কাছে৷ অনেকে আবার প্রশ্ন করেন চোখের নীচের কালোদাগের আসলেই কোন চিকিত্সা আছে কিনা?
বেশিরভাগ সময়ই আমরা আমাদের চোখের নিচের কালি ঢাকার জন্য কনসিলার, ফাউণ্ডেশন কিনে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করি, কিন্তু কখনো কি আমরা আমাদের চোখের নিচে কেন কালি জমে তার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি? আমাদের চোখের নিচের ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর এবং এর নিচে অনেক ছোট ছোট রক্তনালী বয়ে গেছে যারা আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং চোখের নিচের ত্বক কালো হতে থাকে। চোখের নিচের অংশে ফ্লুইড জমা হতে থাকার কারণে চোখের নিচটা ফুলে যেতে থাকে এবং চোখের নিচে কালি পড়ে। এর পিছনে অনেকগুলো কারণ আছে।
আপনি জেনে অবাক হবেন যে কেবল ঘুম না হওয়া, কম্পিউটারের মনিটরের সামনে বসে থাকাই চোখের নিচে কালি পড়া কিংবা চোখ ফুলে যাওয়ার প্রাথমিক কারণ নয়। বরং নাসারন্ধ্রিতে সমস্যা, বংশগত সমস্যা, এলার্জি, মূত্রগ্রন্থিতে সমস্যা কিংবা রক্ত চলাচলে সমস্যা থাকার কারণেও চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। মূলত চোখের নিচের কালি হওয়ার পিছনে তিনটি কারণ থাকে।
মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা
চোখের নিচে কালি পড়ার খুব প্রচলিত একটি কারণ হলো কোন কারণে খুব বেশি চাপে থাকা বা কোন ব্যাপার নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।
পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
কেউ যদি দিনে কমপক্ষে আট ঘণ্টা না ঘুমায়, তাহলে তার চোখের নিচে কালি পড়ার সম্ভাবনা থাকে।আট ঘন্টা সম্ভব না হলে অন্ত ছয় ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

পানিশূন্যতা
শরীর থেকে অনেক বেশি মাত্রায় পানি বেরিয়ে গেলে ত্বক শুষ্ক এবং শরীর দূর্বল হয়ে যায়। এর ফলে চোখের নিচে কালি পড়ে। এখন গরম পরে গেছে, শরীর থেকে তাই ঘামও বের হয় প্রচুর। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেয়ে এর মাত্রাটা ব্যালেন্স করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনার চোখের নিচে কালি পরবে না-
-সকালে ঘুম থেকে উঠেই চোখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় এবং এটি চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।
-চোখের নীচে কালোদাগ দুর করতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান, সবুজ শাক-সবজি আহার এবং নিয়ম মাফিক ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা ও মানসিক চাপ কমাতে হবে৷
-মাল্টিভিটামিন খেলে, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম খাওয়াও চোখের নিচে কালি দূর করতে সাহায্য করে।
-বিভিন্ন ধরণের এলার্জির ওষুধ নাসারন্ধ্রির সমস্যা দূর করতে পারে।
-লবণ কম খেলে এবং ধূমপান ছেড়ে দিলে রক্ত চলাচল বাড়ে।
-যদি আপনার চোখ কচলানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে সেটি বাদ দিন। কেননা এটি আপনার ত্বকের নিচের রক্ত কণাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কিন্তু যদি আপনার চোখের নিচে কালি পরেই যায় এরমধ্যে তাই আপনি কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের নিচের কালি দূর করতে পারেন –
কয়েক টুকরা শসা এবং আলু নিন। ঠাণ্ডা পানিতে এগুলো এমনভাবে পেস্ট করে নিন যাতে একটি তরল মিশ্রণ তৈরি হয়। কিছু তুলা এই মিশ্রণে ভিজিয়ে নিন এবং চোখের নিচে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ কমে যাবে।
 চোখের নিচে যেখানে কালি পড়েছে, সেখানে আমলকী তেল লাগিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। তাহলে চোখের নিচের কালি কমে যাবে বলে আশা করা যায়।


সূত্র: প্রিয় লাইফ

Friday, January 23, 2015

২০ মিনিটে নাকের পাশের ব্ল্যাকহেড দূর করার পদ্ধতি


ব্ল্যাকহেড বিষয়টির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। বিশেষ করে নাকের পাশের অংশে এটি বেশি হয়ে থাকে এবং জায়গাটিকে বেশ কালচে করে ফেলে। মূলত বিভিন্ন ধরনের ময়লা, তেল আর মেদ থেকে ক্ষরিত রসের সমন্বয়ে এক ধরনের কালো দাগ গড়ে তোলে নাকের পাশে, ঠোঁটের নিচে, থুতনিতে এবং কপালে। আর এটি শক্ত হয়ে ত্বকের ছিদ্রপথ বন্ধ করে ফেলে। এগুলোই ব্ল্যাকহেড নামে বিশেষ পরিচিত। প্রতিদিনের মুখ ধোয়া সত্ত্বেও এগুলো মুখে উঠে থাকে।
এই ব্ল্যাকহেড থেকে ত্বককে বাঁচাতে যে পদ্ধতিগুলো আপনি বাসায় বসেই সেরে নিতে পারেন :

১. প্রথমত, আপনার ত্বকের বিভিন্ন মরা চামড়া যেগুলো ত্বকের ছিদ্রপথ বন্ধ করে ফেলে নির্মূল করুন। এর জন্য ভালো একটি ডিপ ফেস ক্লিনার ব্যবহার করুন।

২. এরপরে পরিস্কার করা মুখে গরম পানির ভাব দিয়ে ১০ মিনিট স্টিম করুন। এতে ত্বকের ব্ল্যাকহেডগুলো নরম হয়ে যাবে। ফলে এগুলো নির্মূল করা বেশ সহজ হয়ে যাবে।

৩. এক কাপ পানিতে ৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডা পেস্ট করে মুখে লাগান। পেস্টটি মুখে ১০ মিনিট রাখার পরে হালকাভাবে ধুয়ে নিন। বেকিং সোডা ত্বকে থাকা বিভিন্ন ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে ফেলে। তবে মুখটি ধোয়ার জন্য হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
এভাবে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে দূর করে ফেলতে পারেন মুখের যত সব নোংরা ব্ল্যাকহেডস।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

Tuesday, January 20, 2015

সন্তান নিতে চাইছেন যে দম্পতিরা, তারা রোজ খান এই ৬টি খাবার


সন্তান ধারণে দেরি হওয়া কিংবা সন্তান একেবারেই না হওয়া আজকাল খুব সাধারণ একটি সমস্যা, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই। আমাদের স্ট্রেস ভরা জীবন যাপন, অস্বাস্থ্যকর লাইফ স্টাইল, পরিবেশ দূষণ, ভেজাল খাদ্য, শরীরের যত্নের অভাব ইত্যাদি নানান কারণে সন্তান ধারণে অক্ষমতা দেখা যায় আজকাল। দেখা যায় অনেক মাস বা বছর চেষ্টার পর, নানান রকম চিকিৎসা করিয়ে তবেই সন্তান নিতে পারেন কোন দম্পতি। আপনিও কি এমন সমস্যায় ভুগছেন? সন্তান নিতে চাইছেন কিন্তু হচ্ছে না? নারী-পুরুষ উভয়েই নিজের নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো। এই ৬টি খাবার উর্বরতা বৃদ্ধি করে, নারীকে গর্ভবতী হতে সহায়তা করবে এবং পুরুষের জন্য সুস্থ বীর্য উৎপাদন করবে।
চিনে নিন সেই উপকারী খাবারগুলো।
১) কলা
সুপারফুড কলায় আছে ভিটামিন বি-৬ ছাড়াও আরও বেশ কিছু চমৎকার উপাদান, যা নারীদের মিন্সট্রেশন নিয়মিত রাখে। যারা সন্তান ধারণে চেষ্টা করছেন, তাঁদের জন্য নিয়মিত একটি বা দুটি কলা খাওয়া ডিম্বাণু ও শুক্রানুর মান উন্নত করতে সাহায্য করবে।

২) বাদাম
পুরুষের শুক্রানুর মান উন্নত করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে হরেক রকমের বাদাম। বিশেষ করে কাঠ বাদাম, চীনা বাদাম, পেস্তা ইত্যাদি। টানা ১২ সপ্তাহ প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খান্ম নিশ্চিত ফল পাবেন।
৩) অলিভ ওয়েল
নিজেদের খাবারে তেল বা ঘি এর বদলে আজ থেকেই শুরু করে দিন অলিভ ওয়েলের ব্যবহার। এই তেল রোজকার খাবারে নিয়মিত ব্যবহার করলে উর্বরতা ও গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ে ৩ গুণ পর্যন্ত। নারী ও পুরুষ উভয়ের উর্বরতা বাড়াতেই এই তেল অত্যন্ত সহায়ক। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল ব্যবহার করবেন।
৪) সূর্যমুখীর তেল
এতে আছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই, যা উর্বরতা বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত সহায়ক। রান্নায় ব্যবহার করুন।
৫) অ্যাভোকাডো
শত গুণে ভরপুর এই ফলটি কেবল মজাদারই নয়, বরং উর্বরতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। এই ফল নিয়মিত খেলে জননাঙ্গের ফাংশন উন্নত হয় এবং নারীদের সুস্থ ডিম্বাণু তৈরির হার বাড়ে।
৬) আদা
আদা যে কোন রূপেই পুরুষের উর্বরতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। নারীরা অধিক উপকারিতা পেতে রোজ দুই কাপ পর্যন্ত আদা চা পান করুন মধু মিশিয়ে।
সূত্র: প্রিয় লাইফ

Tuesday, January 13, 2015

জেনে নিন দাম্পত্যকে পরকীয়ার ঝুঁকি মুক্ত রাখার কিছু কৌশল


হ্যাঁ, একথা সত্যি যে মানুষের মনকে বেঁধে রাখা যায় না। প্রেম জীবনে যখন তখন হতে পারে আর এই প্রেমে পড়ার হাত থেকে কাউকে দূরে সরিয়ে রাখার কোন উপায় নেই। তবে এটাও কিন্তু সত্যি যে দাম্পত্যে পরকীয়ার অনেক কারণ থাকে, যার মাঝে সবচাইতে বড় কারণগুলো হচ্ছে সঙ্গীর সাথে দূরত্ব বা আগ্রহ হারিয়ে ফেলা। একটা জিনিস ভুলে গেলে চলবে না যে, একটি ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে মানুষ যখন শারীরিক ও মানসিক উভয় প্রকার সুখ ও সন্তুষ্টি পায়, তখন আর অন্য কারো কাছে সুখের খোঁজে যেতে হয় না। আর তাই নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে পরকীয়ার কুৎসিত থাবা থেকে দূরে রাখার উপায় হচ্ছে ভালোবাসার বন্ধন মজবুত করা, এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তোলা যেন আপনার আকর্ষণ তিনি কখনোই কাটিয়ে উঠতে না পারেন। কিন্তু কীভাবে করবেন এই কাজ? চলুন জেনে নিই।

ভালো সঙ্গী চাইলে নিজে আগে ভালো সঙ্গী হোন:
আপনি নিশ্চয়ই চান স্বামী বা স্ত্রী আপনাকে অনেক ভালবাসুক আর সম্মান করুক? এই ভালোবাসা আর সম্মান চাইলে আগে ভালোবাসা ও সম্মানের যোগ্য হয়ে উঠুন। হ্যাঁ, যদি চান যে সঙ্গী আপনাকে ভীষণ ভালোবাসায় ঘিরে রাখবেন, তাহলে আপনিও তাঁর দিকে ভালোবাসার হাত বাড়ান। আগে নিজে ভালো সঙ্গী হোন, দেখবেন তিনিও আপনা থেকেই বদলে গেছেন। ভালোবাসা পেতে চাইলে ভালোবাসা দেয়াও শিখতে হবে।

নিজেকে যত্ন করুন অবশ্যই:
বিয়ে তো হয়েই গেছে, আর আর সুন্দর দেখিয়ে কী হবে?- এমন একটা ভাবনা বেশিরভাগ মানুষের মাঝে কমবেশি আছে। কিন্তু সত্য এটাই যে বিয়ের পরেই বরং এটাই প্রয়োজনীয়তা বেশি। বিয়ের আগে তিনি যেমন আপনাকে স্মার্ট ও আকর্ষণীয় দেখেছেন সবসময়, সেই লুকটিই ধরে রাখার চেষ্টা করুন। হ্যাঁ, ভালোবাসা চেহাররা উপরে নির্ভরশীল নয়। কিন্তু সর্বদা এলোমেলো আর নোংরা জীবন সঙ্গীকে দেখতে নারী-পুরুষ কেউই ভালোবাসেন না। প্রিয় মানুষটা তখনই অন্যদিকে তাকাবে, যখন তিনি আপনার মাঝে আকর্ষণ খুঁজে পাবেন না। তাই নিজেকে যত্ন করুন, নিজেকে সাজিয়ে রাখুন।
অকারণ সন্দেহের প্রকাশ করবেন না:
কারণে-অকারণে সঙ্গীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ করা থেকে বিরত থাকুন। আর সন্দেহ যদি লাগেই, সেটা তাঁর সামনে প্রকাশ করবে না। সবসময় এটাই প্রকাশ করুন যে আপনি তাকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন।

যত ঝগড়াই হোক, দূরে যাওয়া নয়:
একটু ঝগড়া হলেই রাগারাগি করে আলাদা থাকেন? কথা বলা বন্ধ বা আলাদা কামরায় ঘুমান? এই কাজটি কখনোই কোন অবস্থাতে করবেন না। কেননা এউ দূরত্ব থেকেই সৃষ্টি হয় পরকীয়ার মত সম্পর্কের। বরং ঝগড়া হলে আরও বেশি কাছাকাছি থাকুন, আরও বেশি ভালবাসুন। এতে ঝগড়া মিটে যাবে সহজে।

অন্যের সাথে তুলনা একটি ভয়ানক ব্যাপার:
অমুকের স্ত্রী দেখতে অনেক সুন্দর বা অমুকের স্বামী তাঁর অনেক খেয়াল করেন? এইসব বলে বা ভেবে কখনো মন ছোট করবেন না। এবং কখনোই নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে এইসব বলে খোটা দেবেন না। প্রতিটি সম্পর্কই আলাদা, প্রতিটি সম্পর্কই নিজের মত। অন্যের সাথে তুলনা করে সঙ্গীর মনে কষ্ট দেয়ার অর্থ তাকে দূরে ঠেলে দেয়া।

জিইয়ে রাখুন শারীরিক ভালোবাসা:
দাম্পত্যে ভালোবাসা অটুট রাখার জন্য যৌন সম্পর্কে আকর্ষণ ধরে রাখা খুবই জরুরী একটি বিষয়। নিজের ও সঙ্গীর চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের এই সম্পর্কটার উন্নয়ন করুন। সুন্দর পোশাক, একটু ভিন্নতা ও অনেকটা ভালোবাসা দিয়ে সজীব রাখুন শারীরিক প্রেমকে।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Monday, January 12, 2015

যৌন শক্তি বর্ধক কিছু খাবারের তালিকা


সুস্থ দেহ, সুন্দর মন।আর সেটা পাবার আকাঙ্খা মানুষের চিরত্মন। আজীবন তারুণ্য ধরে রাখতে এবং যৌবনের রাঙিন দিন অতিবাহিত করতে কার না ইচ্ছে করে। সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর ভেজালমুক্ত খাবার খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আর যদি চোখ কান খোলা রেখে বিশেষ খাবার খেতে পারেন তবে তো সোনায় সোহাগা।
সম্প্রতি ‘টাইম ম্যাগাজিন’ সেরকম পাঁচটি বিশেষ গরুত্বপূর্ণ খাবারের কথা উল্লেখ করেছে যা যৌন উত্তেজনা বাড়ায়..

অ্যাভোকাডো
এটি একটি বিশেষ ধরনের ফল। যা দেখতে অণ্ডকোষের মতো। অ্যাভোকাডো নামের এই ফলটিতে আছে পরিমিত মাত্রায় চর্বি। যা আপনার হৃদপিণ্ড ও ধমনিকে সবল রাখে। দেহের প্রয়োজন মাফিক সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহ ঘটিয়ে হৃদস্পন্দন সক্রিয় রাখে। যেটি যৌনমিলনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

বাদাম:
একথা সবাই অবশ্যই বিশ্বাস করবেন যে ‘বাদাম’ একটি জনপ্রিয় খাবার। কিন্তু তার উপকারিতা অনেকেই জানেন না। এই খাবার মানুষের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করে। বাদামে পুষ্টির ঘনত্ব এবং খনিজ পদার্থ, ভিটামিন-ই, জিঙ্ক ইত্যাদি যৌন স্বাস্থ্য এবং প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাদামের বিদ্যমান উপাদান জিঙ্ক প্রসঙ্গে ড. বারম্যান বলেন, ‘জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌন আকাঙ্খা বাড়ায়।’

স্ট্রবেরি:
স্ট্রবেরি খেতে খুব বেশি স্বুস্বাদু না হলেও দেখতে খুবই আকর্ষণীয় হয়। এর রং এবং আকৃতিটা কিছুটা লিচুর মতো। এটি ফলিক এসিডের অন্যতম উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি সমৃদ্ধ এই ফলটি নারীদের সন্তান জন্মদান বিপদমুক্ত করে। পরুষের প্রচুর পরিমাণে শুক্রাণু বৃদ্ধি করে নারীর প্রতি ব্যাপক যৌনাগ্রাসী করে তোলে।

সামুদ্রিক মাছ:
সমুদ্রে নানা প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। বহুবিধ মাছের সমষ্টিকে এক কথায় সী ফুড বা সামুদ্রিক মাছ বলে। এই মাছ অত্যন্ত পিচ্ছিল এবং লবনাক্ত হয়। কামোদ্দীপক এই মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক যা যৌনকামী মানুষের খাবারের পছন্দের তালিকায় থাকে। সুস্থ ও স্থায়ী যৌনকাম পরিচালনায় সামুদ্রিক মাছের জুড়ি মেলা ভার।

আরগুলা
যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবারের নাম আরগুলা । বিভিন্ন সবুজ সবজির সমন্বয়ে এই আরগুলা প্রস্তুত করা হয়। সালাদ বা সূপ বানিয়ে আরগুলা খাওয়ার রীতি বিভিন্ন দেশে প্রচলিত আছে। বহু আগে থেকেই এটি খনিজ সমৃদ্ধ ওষধি খাবার হিসেবেই বেশ পরিচিত। গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, সবুজ শাক-সবজির সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত আরগুলা প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ করে দেহের মধ্যে তীব্র কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি করে।

সুত্র: Newsnextbd

Friday, January 9, 2015

খুশকি দূর করতে ঘরোয়া টোটকা


শীত এলেই যেন উটকো ঝামেলার মতো মাথা জুড়ে বসে খুশকি। তবে মনে রাখবেন খুশকি কোনও রোগ বা রোগের লক্ষণ নয়। বরং মাথার শুষ্ক চামড়া। মূলত মাথার ত্বক থেকে সব সময় কিছু নতুন কোষ হয় আর কিছু পুরনো কোষ ঝরে যায়। এই চক্রে ব্যাঘাত ঘটলে পুরনো মরা কোষ জমে মাথার ত্বকে খুশকি হয়।
কেন হয়:
নানা কারণে হতে পারে খুশকি। শুধু শীতে আবহাওয়ায় আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বকের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়। বাইরের ঠান্ডা বাতাস ও ঘরের তুলনামূলক গরম বাতাসের ফলে তাপমাত্রার যে অসামাঞ্জস্যতা দেখা যায় সে কারণেও হতে পারে খুশকি। এছাড়া এলার্জি থাকলে, ভিটামিন বি এর অভাবে, মানসিক চাপ থেকে, ফাঙ্গাসের আক্রমণে, হৃদরোগ এমনকি পানিতে থাকা ক্লোরিনের কারণেও মাথায় খুশকি হতে পারে।

ঘরোয়া টোটকা:
খুশকির উপদ্রপ থেকে বাঁচতে ঘরে বসেই খুশকি দূর করার উপায় বাতলে দিলেন বিউটি এক্সপার্ট তানজিমা শারমিন মিউনী-
এই সময় সাধারণত শুকনো খুশকি দেখা যায়। এর থেকে মুক্তি চাইলে প্যাক লাগানোর দরকার নেই। ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করেই করা যায় খুশকির ট্রিটমেন্ট। চুলে এবং মাথার তালুতে মেথি পেস্ট, টক দই, লেবুর রস বা মেহেদী দিয়ে বড়জোর আধ ঘণ্টা বসে থাকুন। খুশকি হেসে হেসে বিদায় নেবে। এছাড়া কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্টও নিতে পারেন। শীতে কন্ডিশনিংইয়ের জন্য তেল সবচেয়ে ভালো কাজ করে। হাতে সময় থাকলে দিনের বেলা আর না থাকলে রাতে শোবার আগে চুলে এবং মাথার তালুতে তেল ম্যাসাজ করুন এবং পরে অ্যান্টি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এতেও যদি কাজ না হয় তাহলে চেষ্টা করুন হট ওয়েল ট্রিটমেন্ট বা হেয়ার স্পা। খুশকিমুক্ত হেলদি চুলে তাক লাগিয়ে দিন সবাইকে।

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

Tuesday, December 30, 2014

যে ৭ টি জিনিস ভুলেও মুখে ব্যবহার করা ঠিক না


চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য আমরা কতো কিছুই করে থাকি। সঠিক ভাবে রূপচর্চা করলে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু যদি আপনি না জেনে কিছু কিছু জিনিস মুখের ত্বকে ব্যবহার করে থাকেন তখন কিন্তু আপনাকে পস্তাতেই হবে। তাই জেনে রাখুন যে জিনিসগুলোকে আপনার মুখ থেকে দূরে রাখবেন অবশ্যই।

হেয়ার স্প্রে

অনেকেই মনে করে থাকেন যে হেয়ার স্প্রে দিয়ে যেহেতু চুল ঠিক রাখা যায় তাহলে হয়তো মেক-আপ করার পর, মেক-আপ যেন বেশিক্ষণ থাকে ও না ঘেমে যায় তার জন্য একটু হেয়ার স্প্রে মুখে দিয়ে দেই। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারণ হেয়ার স্প্রেতে আছে ‘লেকিউরস ও এলকোহল’ উপাদান যা ত্বকের জন্য খুব খারাপ।


ডিওড্রেন্ট

ডিওড্রন্ট এর কাজ হল আমাদের বগোলের ঘাম থেকে ও ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা করা। তার মানে এই না যে ডিওড্রেন্ট আপনার মুখের ঘামও দূর করবে। তাই এই ভুল কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

হেয়ার কালার

অনেকেই আছেন কিছুদিন পর পর চুলের রঙ পাল্টে থাকে। তাই মনে করেন যে চুলের রঙের সাথে যদি আইব্রো এর রঙ মিলে যায় তাহলে হয়তো ভাল দেখাবে। কিন্তু চুল কালার করার উপাদানে যে কেমিক্যাল গুলো থাকে তা আমাদের মুখের ত্বকের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই চুলের পাশাপাশি আইব্রো কালার করবেন না।

বডি লোশন

আমরা অনেকেই বডি লোশন আমাদের মুখের ত্বকেও ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু বডি লোশন দেহের ত্বকের জন্য তৈরি করা হয় তাই এটি খুব ভারী হয় ও খুব সুগন্ধিযুক্ত হয়। তাই আপনার মুখের ত্বকের জন্য ব্যবহার করুন গন্ধহীন ও আরও ভাল কোন ক্রিম।

শ্যাম্পু

শ্যাম্পু করার সময় মুখে শ্যাম্পুর ফেনা গড়িয়ে আসে সবারই কিন্তু অনেকেই আছেন মনে করেন যে শ্যাম্পুর ফেনা যখন গড়িয়ে এসেছে তাহলে সেই ফেনা দিয়েই মুখ ধুয়ে ফেলি। কিন্তু আপনার এই ধারণাটি মোটেও ঠিক নয় এবং এই কাজটির কারণে আপনার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

হেয়ার সিরাম

অনেকেই হেয়ার সিরাম ব্যবহার করে থাকেন। আর হেয়ার সিরামের কাজ হল চুল নরম রাখা, চুলের জটা না বাঁধা, চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা। তাই বলে যে চুলের সাথে সাথে আপনার মুখের ত্বক-কেও হেয়ার সিরাম নরম রাখবে এই ধারণাটি ভুল। চুলে ব্যবহার করার উপাদান ও মুখে ব্যবহার করার উপাদান কখনোই একরকম হয়না।

নেইলপলিশ

নেইলপলিশের কাজ হল আমাদের নখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। কিন্তু আমরা অনেকেই আছি কপালে টিপ দেয়ার জন্য কিংবা কোন ছোট মেয়ে বাচ্চাকে সাজানোর জন্য নেইলপলিশ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু নেইলপলিশে যে উপাদানগুলো থাকে তা অবশ্যই আমাদের মুখের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

সূত্র: সময়ের কন্ঠসর  

Saturday, December 27, 2014

ভালোবাসার মানুষটির রাগ ভাঙানোর মিষ্টি কিছু উপায়


এবার বেশ ভালোই রাগ করেছে আপনার মনের মানুষটি আপনার উপর। কীভাবে রাগ ভাঙাবেন বুঝতেই পারছেন না। অন্য সময়ে তো এমনিতেই ভেঙে যায় রাগ। কিন্তু এইবার কিছুতেই ভাঙে না। ফলে আপনিও আছেন চিন্তায়। কীভাবে তার রাগ ভাঙিয়ে সম্পর্কটাকে স্বাভাবিক করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না।
মাঝে মাঝে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে ভালোবাসার মানুষটির সাথে রাগারাগি হয়। আর এই রাগারাগির কারণে হয় মান অভিমান। ভালোবাসার মানুষটি অভিমান করে থাকলে কোনো কিছু যেন ভালো লাগেনা। আর তাই কীভাবে ভালোবাসার মানুষটির মন ভালো করবেন এবং রাগ ভাঙাবেন সেটা নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। জেনে নিন ভালোবাসার মানুষটির রাগ সহজেই ভাঙিয়ে ফেলার কিছু উপায় সম্পর্কে।

‘সরি’ বলুন
‘সরি’ বললে কেউ ছোট হয়ে যায় না। দুই পক্ষেরই দোষ না থাকলে কখনোই একা ঝগড়া করা যায় না। আর তাই নিজের দোষটা স্বীকার করুন। আপনার ভুল ছোট হলেও সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করুন সুন্দর করে। তাহলে আপনার ভালোবাসার মানুষটি আপনার উপর রাগ করে থাকতে পারবে না একদমই।

আলিঙ্গন করুন
ভালোবাসার মানুষটির রাগ ভাঙ্গাতে আলিঙ্গনের বিকল্প নেই। খুব কাছের এই মানুষটির রাগ একদম একনিমিষেই মিলিয়ে যাবে হাওয়ায়। তাই ভালোবাসার মানুষটির রাগ কমাতে তাকে আলিঙ্গন করে ভালোবাসা প্রকাশ করুন। আপনার ভালোবাসার উষ্ণতায় নিমিষেই গলে যাবে তার মন।

উপহার দিন ছোট্ট কিছু
আপনার ভালোবাসার মানুষটি রাগ করে আছে? তার প্রিয় ফুলটি কিনে উপহার দিন তাকে। অথবা তার পছন্দের একটি চকলেট বা আইসক্রিম দিয়ে সারপ্রাইজ দিন তাকে। প্রথমে একটু মুখ গোমড়া করে থাকলেও মনের রাগটা একদম ধুয়ে মুছে চলে যাবে তার। কিছুক্ষণ পরেই রাগ ভুলে গিয়ে একদম স্বাভাবিক হয়ে যাবে আপনার ভালোবাসার মানুষটি।

কার্ড/কেক/প্যাস্ট্রি
ভালোবাসার মানুষটির রাগ ভাঙ্গানোর আরেকটি সহজ উপায় হলো কার্ড। আর্চিস কিংবা হলমার্কে দারুন সব ডিজাইনের ‘সরি’ লেখা কার্ড পাওয়া যায়। সেগুলোর থেকে একটি পছন্দসই কার্ড কিনে নিজের হাতে দুই তিনটি বাক্য লিখে ভালোবাসার মানুষটির কাছে পৌঁছিয়ে দিন। কিংবা তার পছন্দের কেকের উপর বিশাল করে ‘সরি’ লিখে তার সামনে ধরুন। রাগ চলে যাবে মূহূর্তেই।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

৫টি ঘরোয়া উপায় ঠোঁটের রঙ গোলাপি করে তোলার


সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবাই-ই চান। বলাই বাহুল্য যে মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটের আকর্ষণ অনেক বেশি সৌন্দর্যের বিচারে। কিন্তু প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিও আমাদের ঠোঁট কালো করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নানান রকমের অসুখ, ধূমপান, বাজে প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। চলুন, আজ জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।

কাঁচা দুধ প্রতিদিন
প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।
মধু
প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ
হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।

আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস
এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।

লেবুর রস ও চিনি
লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

পেটের মেদ কমাতে তিনটি ব্যায়াম


শরীরকে ফিট রাখার ক্ষেত্রে পেটের মেদ একটি অন্যতম প্রধাণ অন্তরায়। অনেক সময় দেখা যায় শরীরের অন্যান্য অংশে তেমন মেদ নেই, কিন্তু পেটের মেদ পুরো ফিটনেস্‌টাকেই নষ্ট করে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় খাদ্য নিয়ন্ত্রন করেও পুরোপুরি কাজ হয়না। আসলে খাদ্য নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি প্রতিদিন এমন কিছু ব্যায়ামের অনুশীলন করা উচিত যেগুলো সরাসরি পেটের মেদের উপর কাজ করে, সেক্ষেত্রে অনেক ভাল ফল পাওয়া সম্ভব। আজকে এরকমই ৩টি ব্যায়ামের কথা আলোচনা করবো।

বাইসাইকেল ক্রাঞ্চ

• প্রথমে মেঝেতে সোজা হয়ে শুয়ে পরুন।
• হাতদুটো মাথার পেছনে রাখুন। দুই পা সোজা করে একটু উপরে ওঠান।
• এবার বাম পা সোজা রেখে ডান পা ভেঙে বুকের কাছে নিয়ে আসুন।
• এসময় আপনার কোমড় থেকে উপরিভাগ বাম দিকে একটু কাত করুন।
• একইভাবে ডান পা সোজা রেখে বাম পা ভেঙে পূণরায় করুন, যেন মনে হয় আপনি শুয়ে শুয়ে সাইকেল চালাচ্ছেন।
• এই ব্যায়ামটি এক মিনিট করে প্রতিদিন ৩বার করার চেষ্টা করুন। এটি আপনার পেটের পেশীর ওপর অনেক চাপ সৃষ্টি করে, যা মেদ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বোটিং
• এর ভঙ্গিটা অনেকটা নৌকা চালানোর মতো।
• প্রথমে মেঝেতে বসুন।
• পা দুটো সোজা করে উপর দিকে ওঠান।
• হাত দুটো সোজা করে হাটু বরাবর রাখুন।
• কোমড় থেকে শরীরের উপরের অংশ সোজ করে এমনভাবে রাখুন যেন তা আপনার পায়ের সাথে সমকোণ তৈরী করে।
• এভাবে থেকে পাঁচবার জোরে জোরে শ্বাস নিন এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।
• এই ব্যায়ামটি দৈনিক পাঁচবার করার চেষ্টা করুন।
প্লাঙ্ক

• উপুর হয়ে মেঝেতে শুয়ে পরুন।
• হাতের কুনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত মাটিতে স্পর্শ করিয়ে এবং পায়ের আঙুলের উপর ভর দিয়ে শরীরটাকে উপরে ওঠানোর চেষ্টা করুন।
• আপনার পেট এবং কোমড়ের নিচের পেশীগুলোকে শক্ত করে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
• এবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।
• প্রতিদিন চার বার করে এই ব্যায়ামটি অনুশীলন করুন।
ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, ফিট থাকুন আর রূপ-কেয়ারের সাথেই থাকুন।

নুসরাত নীলিমা
সুত্র: রূপ কেয়ার  

Friday, December 19, 2014

কম সময়ে চুল ঘন করার ২টি দারুণ কার্যকরী উপায়


ধুলো ময়লা, আবহাওয়া, রোদ এবং সঠিক যত্নের অভাবে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। চুলের ফলিকল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে। যার ফলে নতুন করে চুল গজানোর হার একেবারেই কমে যায়। এবং চুল পড়ার হার অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। এসকল কারণে চুল হয়ে যায় পাতলা এবং একেবারে নিষ্প্রাণ।
কিন্তু ঘন, কালো ও লম্বা চুলের সৌন্দর্য সকলেরই কাম্য। এতোসব যন্ত্রণার পরও সামান্য যত্নে চুলের ঘনত্ব এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি সম্ভব। সপ্তাহে মাত্র ২/৩ দিন খানিকটা সময় বের করে নিয়ে দুটো হেয়ার মাস্কের ব্যবহারেই পেতে পারেন ঘন, কালো ও উজ্জ্বল চুল।
সরিষার তেল ও মেহেদী পাতা
সাধারণত চুলে সরিষার তেল একেবারেই ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু সরিষার তেল চুলের গোঁড়া মজবুত করে তুলতে বিশেষ ভাবে কার্যকর একটি উপাদান, যা চুল পড়া রোধ করে দেবে একেবারে। এর পাশাপাশি মেহেদী পাতা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ফলে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় বেশ কয়েকগুন।

পদ্ধতিঃ
২০০ গ্রাম সরিষার তেল একটি পাত্রে নিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। এবার এতে ১ কাপ পরিমাণ মেহেদী তাজা পাতা দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। যখন দেখবেন মেহেদী পাতা পুড়ে কালো হয়ে গিয়েছে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে ঠাণ্ডা করে নিন। একটি এয়ার টাইট বোতলে এই তেল সংরক্ষণ করুন। এই তেল সপ্তাহে ৩ দিন চুলে লাগান। সব চাইতে ভালো ফল পাবেন সারারাত চুলে তেল লাগিয়ে রেখে সকালে সাধারণভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেললে।
ডিম ও অলিভ অয়েল
চুলের ঘনত্ব ব্রদ্ধির জন্য ডিম ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক প্রাচীন কাল থেকেই। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা চুল পরা রোধ করে। এছাড়া ডিমে আরও রয়েছে সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস ও আয়োডিন যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের ঘনত্ব বাড়ায়।
পদ্ধতিঃ
একটি বাটিতে একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল(জলপাই তেল) ও ১ চা চামচ মধু নিন( চুলের দৈর্ঘ্য ও পরিমাণ অনুযায়ী অলিভ অয়েল ও মধুর পরিমাণ বাড়াতে পারেন)। তারপর উপকরণগুলো খুব ভালো করে মেশান। যখন এটি মসৃণ পেস্টের আকার ধারন করবে তখন এত ব্যবহার উপযোগী হবে। মসৃণ পেস্টের মত হয়ে গেলে মাথার ত্বকে আলতো ঘষে মিশ্রণটি লাগিয়ে ফেলুন। ২০ মিনিট পর প্রথমে ঠাণ্ডা পানি ও পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ভালো ফল পাবেন।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Monday, December 8, 2014

মুখের অবাঞ্ছিত লোমের ঘনত্ব কমাতে কার্যকরী টিপস


সব মানুষের মুখে লোম হয়ে থাকে, তবে কারও লোমের ঘনত্ব থাকে বেশি আবার কারো কম। কিন্তু কম কিংবা বেশি যেমনই হোক না কেন এই লোম সৌন্দর্য কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে তো অবশ্যই। তাই অনেক নারীই পার্লারে গিয়ে থ্রেডিং করে থাকেন, কিন্তু সবার ত্বক একরকম না হওয়ায় অনেকেরই থ্রেডিং করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আজ ঘরোয়া উপায়ে লোমের ঘনত্ব কমিয়ে আনতে দেয়া হল সহজ টিপস।

01. প্রথমেই মনে রাখা উচিত ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুখের লোম তোলা যায়না কিন্তু কমাতে সাহায্য করে। তবে তাতে অবশ্যই সময় বেশি লাগবে এবং আপনাকে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

02. পরিমান মত চিনি ও লেবুর রস মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

03. প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বার এই পেস্ট ব্যবহার করুন।

04. হলুদগুঁড়ো এবং দুধের মিশ্রণ বানিয়েও মুখে লাগাতে পারেন। সার্কুলার মোশনে হালকা করে মুখের ওপরে ঘষুন। এতে লোমের গ্রোথ কমে যায়।
কৃতজ্ঞতা: রূপ বিশেষজ্ঞ শেহনাজ হুসেন

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Friday, November 28, 2014

জেনে নিন খাঁটি স্বর্ণালঙ্কার চেনার উপায়

ধরুন, আপনি পরিচিত বা অপরিচিত কোনো জুয়েলার্সে ১০ ভরি ওজনের সোনার গয়নার অর্ডার দিলেন। গয়না তৈরি হয়ে যাওয়ার পর স্বর্ণকার চোখের সামনেই ঠিকঠাক ১০ ভরি ওজনই পরখ করে আপনাকে বুঝিয়ে দিলেন। ওজন ঠিক আছে আর গয়নাও মনের মতো হয়েছে, আপনি মহাখুশি। তবে আসল ঘটনা জানলে খুশিতে ভাটা পড়তে পারে। কারণ খাঁটি সোনার বেলায় ওজনই শেষ কথা নয়। মানই প্রধান। আপনার সোনার ওজন ঠিক থাকলেও মান ঠিক আছে কি না তা কি পরখ করে দিয়েছেন স্বর্ণকার? সোনার মান যাচাইয়ে এখনো ভরসা অন্ধবিশ্বাস। কষ্টিপাথর দিয়ে ঘষে পরখ করা হয় সোনা কতটা খাঁটি। অথচ এই পরীক্ষা একেবারেই অনুমাননির্ভর। তাহলে উপায় কী? বড় বড় স্বর্ণালংকারের দোকানগুলোতে কিন্তু উপায়টা চলে এসেছে ২০০৬ সালের পর থেকেই। এই মেশিনের নাম স্পেকট্রোমিটার। এই মেশিনে মাপার পর সোনায় খাদ থাকলে সহজেই ধরা পড়ে যাবে। মেশিনই বলে দেবে কত ক্যারেটের সোনা আপনাকে দেওয়া হয়েছে। কোনো চালাকি বা ঠকবাজির সুযোগ নেই।
আপন জুয়েলার্সের গুলশান শাখার ম্যানেজার বাপ্পি দাস জানান, তাঁদের শোরুমে এই মেশিনেই সোনার মান যাচাই করে দেওয়া হয়। এই মেশিনে নির্ভুলভাবে ক্যারেট যাচাই করা যায়, ক্রেতার কাছেও বিশ্বস্ত থাকা যায়।
ওজনে নয়, মানেই সোনার পরিচয়
সাধারণ বাজারে যেসব সোনার গয়না পাওয়া যায় সেগুলোর ১৮, ২১ কিংবা ২২ ক্যারেটের হয়ে থাকে। সোনার গয়না কিনলে দেখবেন ক্যাশম্যামোতে ক্যারেটের পরিমাণ উল্লেখ থাকে। এ ক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, সলিড গোল্ড বা ২৪ ক্যারেটের (৯৯.৯৯ শতাংশ) খাঁটি সোনায় কিন্তু গয়না হয় না। এটা অনেক নরম থাকে। তাই এই সোনায় ধাতু মিশিয়ে একে হার্ড করা হয়। কপার, সিলভার, ক্যাডমিয়াম ইত্যাদি মেশানো হয়। ২২ ক্যারেটে সোনার পরিমাণ থাকে ৯১.৬ শতাংশ, বাকিটা ধাতু দিয়ে পূরণ করা হয়। ২১ ক্যারেটের মান ৮৭.৫ শতাংশ, বাকিটা ধাতু, ১৮ ক্যারেটের মান ৭৫ শতাংশ, বাকি ২৫ শতাংশ খাদ।
লুকোচুরি খেলাটা হয় এখানে, ধরুন স্বর্ণকার আপনাকে ২২ ক্যারেটের সোনার কথা বলে দিল ১৮ ক্যারেটের, যাতে খাদের পরিমাণ বেশি, তাহলে সেটা তো কষ্টিপাথর দিয়ে যাচাই সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে ওজনও তো কোনো সমস্যা নয়। কারণ যে ওজন আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা সোনা আর ধাতুরই মোট ওজন। অর্থাৎ খাদসহ ওজন। ফলে ঠকছেন আপনি। কিন্তু মেশিনে পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে যায় সবকিছু। এ ক্ষেত্রে মেশিনই বলবে ১৮ ক্যারেট বা ৭৫ শতাংশ সোনা আছে কি না। স্বর্ণকার বা আপনার এ ক্ষেত্রে কিছুই বলার নেই। অথচ কষ্টিপাথর দিয়ে এই পরীক্ষাটি হয় খুবই অবৈজ্ঞানিকভাবে। কষ্টিপাথর দিয়ে সোনা ঘষলে তাতে কিছুটা লেগে থাকে আর লেগে থাকা সোনার হলুদ রঙের শেড পরীক্ষা করে মান জানানো হয়, যা অনুমাননির্ভর। অথচ মেশিনে সফটওয়্যার এই পরীক্ষাটির দায়িত্ব নেয়।
এখন ঢাকার প্রসিদ্ধ জুয়েলারি শোরুমগুলোতে আছে স্পেকট্রোমিটার। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা মেশিনেই যাচাই করেন সোনার মান। ক্রেতারাও ভরসা পাচ্ছেন। তাই সোনার গয়না কেনার আগে অবশ্যই এই মেশিনে সোনার মান যাচাই করে নেবেন। এতে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
সূত্র: কালেরকণ্ঠ

Saturday, October 18, 2014

চেহারার যৌবন ধরে রাখার ছোট্ট ‘গোপন ফর্মুলা’


অনলাইন ডেস্ক:
বয়স ৩০ বা ৩৫? পার্লার যাওয়ার সময় পান না? সারাদিনে খুব কাজের চাপ? কি করা যায় তাই ভাবছেন তো? না, সময় না পেলে বাইরে গিয়ে রূপচর্চা করতে হবে না। আবার নামি দামি ক্রিম কিনে অর্থ ব্যয় এর প্রয়োজন নেই। আপনার রান্নাঘরের অতি পরিচিত সামান্য কিছু উপাদান দিয়েই নিজেকে সুন্দর করে রাখতে পারবেন। ত্বকের জেল্লাকে ধরে রাখতে এই উপাদানটি বেশ কার্যকারী। এটি একটি ফেস প্যাক তৈরির সিক্রেট ফর্মুলা। নিয়মিত এই ফেস প্যাক ব্যবহারে দীর্ঘদিন অটুট থাকবে আপনার চেহারার যৌবন।

অ্যান্টি-এইজিং ফেস প্যাকের উপাদানঃ
২ টেবিল চামচ মিহি চালের গুঁড়ো (চাইলে ময়দা ব্যবহার করতে পারেন)
১ চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ তাজা হলুদ গুঁড়ো বা বাটা
৫ চা চামচ কাঁচা দুধ
গোলাপ জল ১ চা চামচ
শসার রস ১ চা চামচ
মধু ১ চা চামচ

মিশ্রণটি বানানোর পদ্ধতিঃ
প্রথমে একটি বাটিতে চালের গুঁড়ো বা ময়দা এবং হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন।
এরপর এতে শসার রস ও দুধ দিয়ে পেস্টের মত তৈরি করুন।
মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি ভেজা মুখে আলতো ঘষে লাগান।
পুরোপুরি লাগানো হয়ে গেলে ১০ মিনিট রেখে দিন।
১০ মিনিট পর আঙুলের মাথা দিয়ে হালকা ঘষে তুলে নিন। এরপর মুখে মধু মাখিয়ে রাখুন।
১০ মিনিট পর হাল্কা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ মুছে নিয়ে প্রাকৃতিক গোলাপ জল
লাগিয়ে নিন আলতো করে।
সপ্তাহে ৩/৪ বার এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করুন


                                                                                            সূত্র: ওয়েবসাইট 

Monday, October 13, 2014

দুর্বল দৃষ্টিশক্তির জন্য ৯টি কিছু টিপস্


                                                              লেখকঃ ডঃ টি ভট্টাচার্য

চোখে কম দেখাকেই বলে দুর্বল দৃষ্টিশক্তি। আর এই দুর্বল দৃষ্টিশক্তির জন্যই শেষে চশমা নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু দীর্ঘকাল থেকে বেশ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যাতে ক্ষীণ দৃষ্টির উন্নতি তো হয়ই এমনকি চশমার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। 

দৃষ্টিশক্তি দুর্বলের  প্রতিকার:-
১)  এলাচ৪ গ্রাম মাত্রায় সকালে খেলে এক মাস থেকে ৪০ দিনের মধ্যে দুর্বল দৃষ্টিশক্তি দূর হয়। চোখ ঠাণ্ডা হয়, চোখের জ্যোতি বাড়ে। 
২) রাতের বেলায় একটা পাত্রে দু’চামচ ত্রিফলা চূর্ণ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে পরিষ্কার কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে ঐ জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন অথবা ঐ জল নিয়ে চোখের ওপর ছিটে দিন। এতেও চোখের জ্যোতি বাড়ে। এমনকি বৃদ্ধাবস্থাতেও চোখ নির্মল ও সতেজ থাকবে।

৩) সহিজনের রস ১০ মি. লি. ও মধু ১০ গ্রাম নিয়ে মিশিয়ে কাজল তৈরি করুন। এই কাজল চোখের পক্ষে খুবই উপকারী। এতে চোখ সদা নির্মল ও নিরোগ থাকে।

৪) পাতা পিষে তুলোর পলতে তৈরি করে তাতে মাখিয়ে পখার হাওয়াতে শুকিয়ে নিন। তারপর সরষের তেল ও কর্পূরের সঙ্গে এ তুলোর ফুরফুরি (বাপলতে) আগুনে পুড়িয়ে কাজল তৈরি করে নিন। এই কাজল চোখে দৃষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে এবং চোখকে নিরোগ রাখতে সাহায্য করে।

৫) যদি দেখা যায় চোখের দৃষ্টি ক্রমশঃ স্তিমিত হয়ে আসছে তাহলে কমলা লেবুর রসে বাটা গোলমরিচ ও সৌন্ধব লবণ মিশিয়ে সকাল-বিকাল সেবন করতে হবে। অন্ততঃ তিনমাস এভাবে নিয়মিত সেবন করতে হবে।

৬) এক কাপ গাজরের রসে পৌনে এক কাপ পালং বা চৌলাইয়ের শাকের রস মিশিয়ে সকালে সূর্যোদয়ের সময়ে এবং বিকালে সূর্যাস্তের সময়ে নিয়মিত সেবন করতে পারলে সেবনকারীর চশমার দরকার হবে না কোনো দিন।

৭)  শোয়ার সময় সপ্তাহে তিন দিন তুলোর মোটা পলতে দুধে ভিজিয়ে চোখে রেখে তার ওপর পটি বেঁধে দিলে চোখ ভালো থাকে। আবার কখনো কখনো ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করা শীতল ও স্বচ্ছ দুধ দু’তিন ফোঁটা চোখে দিলে চোখ শীতল থাকে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি কখনো ক্ষীণ হয় না।

৮) বাদামের ৮-১০ টি দানা (অর্থাৎ শাঁস) রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ভালো করে চিবিয়ে খেয়ে খানিকটা দুধ খেয়ে নিতে হবে। এতে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ার সঙ্গে বলবৃদ্ধিও হবে।

৯) ধনে পিষে নিয়ে তার রস বের করে দু’ফোঁটা করে প্রতিদিন দু’চোখে দিলে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি হয়।




                                              সূত্র: জিরো২ইনফিনিটি

Saturday, October 11, 2014

সব ঋতুতে ঠোটের সমস্যার সমাধান


মুখের সৌন্দর্য্য অনেকখানি নির্ভর করে ঠোঁটের উপর। শীত ছাড়াও সব মৌসুমেই ঠোঁটের আলাদা যত্নের দরকার হয়। শুধু মেয়েদেরই নয়, ঠোঁটের ধরন বুঝে ছেলেদেরও ঠোঁটের যত্নের প্রয়োজন পড়তে পারে।
ঠোঁটের নানান রকম যত্নের উপায় জানাচ্ছেন হেয়ারোবিক্স ব্রাইডালের রূপ বিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনি।
* প্রতিদিন ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ঠোঁট পরিষ্কার করা উচিত। মাঝেমধ্যে ব্রাশ দিয়ে ঠোঁট হালকা ব্রাশ করে নিতে পারেন। এতে মরা কোষ ঝরে যাবে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে রোদে বের হওয়ার আগে লিপবাম বা নারকেল তেল লাগিয়ে এর ওপর লিপস্টিক লাগান।
* রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ক্রিম বা ভেজা তুলার সাহায্যে লিপস্টিক তুলে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। মনে রাখা জরুরি, বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটা বা ঠোঁট কামড়ানো খুব খারাপ অভ্যাস। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ অভ্যাস ছাড়ুন।
* ভিটামিন ‘সি’র অভাবে ঠোঁটের কোণা ফেটে যায়। এ জন্য ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাবার ও ট্যাবলেট খেতে পারেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এ ছাড়া ঘরে বসেই ঠোঁটের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা
ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে সব সময় সঙ্গে ভ্যাসলিন বা চ্যাপস্টিক ব্যবহার করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন। যাদের ঠোঁট অতিরিক্ত শুষ্ক তারা প্রতিদিন মধু, গোলাপজল ও কমলালেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন।
ফাটা ঠোঁটের সমস্যা
অনেক সময় নিচের ঠোঁট থেকে চামড়া ওঠে। এসব চামড়া হাত দিয়ে না তুলে বরং ভ্যাসলিন ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।
কালচে ঠোঁটের সমস্যা
সপ্তাহে দুই দিন লিপপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। দুধের সর, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। নিয়মিত করতে পারলে ঠোঁটের কালচেভাব দূর হবে। এ ছাড়া ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে চন্দনবাটা লাগাতে পারেন।
ঠোঁটের কোণায় কালোভাব কমাতে শশা ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে দিনে তিন থেকে চারবার ঠোঁটে লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।
ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে মুলতানি মাটিতে কয়েক ফোঁটা মধু ও কাঁচাদুধ মিশিয়ে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
মসৃণ ঠোঁটের জন্য
ঠোঁটের মসৃণতা বজায় রাখতে স্ট্রবেরির ক্বাথ, মধু ও দুধের সর মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। মিনিট বিশেক পরে ধুয়ে ফেলুন। কোমলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন গ্লিসারিন, অলিভ অয়েল, মধু ও গোলাপজল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে ১০ মিনিট পর আলতো ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।
মেকআপ টিপস
* যে কোনো দোকান থেকে লিপস্টিক কেনার সময় কখনো ঠোঁটে লাগিয়ে দেখবেন না। এতে ঠোঁটে নানান ধরনের অসুখ হতে পারে। প্রয়োজনে হাতে লাগিয়ে দেখুন। সব সময় নামি প্রতিষ্ঠানের লিপস্টিক কিংবা লিপগ্লস ব্যবহার করুন।
* লিপস্টিক সব সময় ফ্রিজে রাখবেন।
* লিপস্টিক লাগানোর আগে ভালোভাবে ঠোঁট পরিষ্কার করুন। প্রথমে অল্প একটু ফাউন্ডেশন ঠোঁটে লাগিয়ে নিতে হবে। ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে লিপ-পেনসিল দিয়ে ঠোঁটের চারপাশ এঁকে ভেতরে পছন্দমতো লিপস্টিক লাগাতে পারেন।
* লিপস্টিক লাগানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তা লিপলাইনের বাইরে না বেরিয়ে যায়।
* লিপস্টিক লাগানোর পর টিস্যু পেপার রেখে ঠোঁট জোড়া করে চেপে নিন। এতে বাড়তি রং উঠে আসবে এবং লিপস্টিক দীর্ঘস্থায়ী হবে।
* খেয়াল রাখবেন, লিপলাইনারের রেখা যেন লিপস্টিকের রংয়ের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।
* মোটা ঠোঁট চিকন দেখাতে চাইলে ঠোঁটের ভেতর দিক দিয়ে সীমারেখা আঁকতে হবে। প্রথমে স্বাভাবিক রংয়ের লিপলাইনার দিয়ে সমান্তরাল রেখা টানুন। খেয়াল রাখতে হবে ঠোঁটের দুই কোণের লাইন যেন সমান হয়। এরপর লিপস্টিকের প্রলেপ দিন।
* চিকন ঠোঁট মোটা করতে লিপ-পেনসিলের সীমারেখা টানতে হবে ঠোঁটের রেখার কিছুটা বাইরে দিয়ে। আর পুরোটা ঢেকে দিন প্রয়োজনীয় রংয়ে।
* মোটা ঠোঁটে হালকা রংয়ের লিপস্টিক আর চিকন ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক মানানসই।
* যাদের ঠোঁট ফাটার সমস্যা আছে তারা লিপস্টিক লাগানোর আগে অবশ্যই লিপবাম লাগিয়ে নিন। পোশাকের ধরন, স্থান, অনুষ্ঠান, অফিস ও সময় এসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে লিপস্টিকের রং বাছাই করুন।
* আরেকটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ছোট বয়সে যেসব রংয়ের লিপস্টিক আপনাকে মানাবে, একটু বড় হলে তা হয়তো ভালো লাগবে না। তাই বয়স অনুযায়ী লিপস্টিকের রং পছন্দ করুন।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | free samples without surveys